অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স ইন বাংলাদেশ

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স ইন বাংলাদেশ

অ্যাফিলিয়েট  মার্কেটিং মাস্টারি কোর্স

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং  মাস্টারক্লাস  আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাস্টার হিসেবে তৈরি করবে ।

আপনি যদি নিচের কাজগুলো করে ব্যর্থ হয়ে থাকেন তাহলে এই কোর্স আপনাকে এর সমাধান দিবে ইনশাল্লাহ ।

  • যেমন ধরুন আপনি ব্লগিং করে ব্যর্থ হয়েছেন ।
  • আপনি অতীতে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন ।
  • অনলাইনে অর্থ উপার্জনের জন্য  কীওয়ার্ড নির্বাচন করতে ব্যর্থ হয়েছেন ।
  • অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর জন্য এসইও রিলেটেড আর্টিকেল লিখতে  ব্যর্থ হয়েছেন।
  • এমনকি আপনি অনেক কোর্স করে ৫০,০০০ টাকার ও বেশী খরচ করে ফেলেছেন । কিন্তু সফল হননি ।
  • এবং আপনার মূল্যবান কাজের জন্য এই অনলাইন কোর্সে টাকা উপার্জনের জন্য আগ্রহী নন, তবে আপনি চাচ্ছেন অন্যমাধ্যমে কাজ করে সফল হবেন ।
Daudul Islam affiliate marketer

যদি আপনি আপনার ব্যবসায়ের বাইরে আরও কিছু করতে চান অথবা অর্থের জন্য সময় বিনিয়োগ করতে চান,  তবে আমি মনে করি আপনার প্যাসিভ ইনকাম করার প্রবল ইচ্ছা রয়েছে। এবং এই কোর্সে আপনি সেটিই পাবেন ।

অনলাইনে প্রচুর অর্থোপার্জনযোগ্য সুযোগ রয়েছে  তবে ভালো প্রোডাক্ট নির্বাচন করে ভালো কমিশন পাওয়া  একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স

অনলাইনে আপনি অনেক “গুরু” দেখেছেন যারা আপনাকে কীভাবে ক্লিকব্যাঙ্ক থেকে পণ্য বিক্রয় করতে হবে, কিভাবে অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যাবহার করে উপার্জন করবেন কিভাবে ওয়েট লস প্রোডাক্ট বিক্রি করে হাজার হাজার ডলার আনতে পারেন সেটি দেখায় । এবং আপনিও  এটি ব্যবহার করে দেখেছেন, একটি ওয়েবসাইট তৈরি করেছেন, কয়েকটি ছবি , আর্টিকেল যুক্ত করেছেন এবং নিজের পকেটের টাকা ঢেলেও ব্যর্থ হয়েছেন।

আপনি সফল হতে চান, কিন্তু সর্বদা ব্যর্থ এর  কারণ কি ?

  • আত্মবিশ্বাসের অভাব
  • অনলাইনে অনেক প্রোডাক্ট দেখে অভিভূত হওয়া কিন্তু কোথায় থেকে শুরু করবেন তা জানেন না।
  • কী বিক্রি করবেন এবং কোথায়  বিক্রি করবেন তা জানেন না
  • আপনি অনেক কিছু জানেন কিন্তু সেটি এলোমেলো তাই বুজতে পারছেনা কিভাবে শুরু করবেন ।
  • টোটাল মেকানিজমে দুর্বল ।

 এবং এই সমস্ত সমস্যা, অবিচ্ছিন্ন ব্যর্থতা, বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারের চাপ থাকা সত্ত্বেও, আপনার অনলাইন ব্যবসা গড়ে তোলার আপনার স্বপ্নটি কখনই বিলুপ্ত হয়নি। আপনি সর্বদা নিজের মতো করে এমন কিছু তৈরি করতে চেয়েছিলেন যেন আপনি গর্বের সাথে সবাইকে বলতে পারেন। তাহলে আপনার অনলাইনে সফল হওয়ার তীব্র ইচ্ছা আছে, কিন্তু সঠিক পথ খুঁজে পাচ্ছেন্না। 

এবং সে কারণেই আমি আপনার জন্য এই কোর্সটি তৈরি করেছি।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স

এই প্রশিক্ষণে, আপনি শিখতে যাচ্ছেন।

 

  • লাভজনক প্রোডাক্ট কিভাবে পাবেন ?

  • গুগলে সহজেই র‍্যাঙ্ক করে এমন একটি এসইও-ফ্রেন্ডলী ব্লগ কীভাবে সেট আপ করবেন?

  • কীভাবে একটি লাভজনক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্লগ সেটআপ করবেন যা অটোপাইলটে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম?

  • কিভাবে নির্দিষ্ট বায়ার পাবেন?

  • আপনার ব্যবসায় কীভাবে ইমেল মার্কেটিং সেটআপ করবেন এবং পাঠক দের কিভাবে একজন ক্রেতা হসেবে রুপান্তর করবেন ?

  • সঠিক ক্রেতাদের সন্ধান করে কীভাবে পোস্ট গুলো প্রমোট করবেন?

 অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং  বিশ্বের সর্বাধিক সুন্দর এবং লাভজনক ব্যবসা।

এটি একটি সাধারণ ব্যবসায়ের মতোই তবে এই মার্কেট এর নিয়ম হল আপনাকে অন্যের প্রোডাক্ট প্রমোট করতে হবে ।

আপনার একমাত্র কাজ হ’ল কার কি সমস্যা সেটি খুঁজে বের করা এবং তাদের চাহিদা মত তাদের কাছে প্রোডাক্ট লিংক দেয়া ।

নির্দিষ্ট ক্লায়েন্ট খুঁজে বের করা মানেই আপনার সেলিং রেট অনেক বেশী পাওয়া । এই কোর্সে এই ব্যাপারে নিখুতভাবে ক্লিয়ার করবো ।  

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি কত ইনকাম করতে পারবেন ?

  •  অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি প্রতিটি পণ্যের দামের ৩০% থেকে ৭৫% এমনকি এর বেশীও উপার্জন করতে পারবেন । 
  • এমনকি এমন কিছু প্রোডাক্ট রয়েছে যা বিক্রয় প্রতি ১০০% পর্যন্ত কমিশন দেয়, যা আমি আমার প্রশিক্ষণে আলোচনা করতে যাচ্ছি।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বাজার ২০২৩ সালের মধ্যে  আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি ৮ বিলিয়ন ব্যয় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাহলে এর আগেই আমাদেরকে তৈরি হতে হবে ।

Growing Affiliate market

প্রশ্নটি হল – এই ৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে আপনি কত টাকা উপার্জন করতে যাচ্ছেন?

এবং এর জন্য আপনি কতটুকু প্রস্তুত আছেন এবং এটি কিভাবে করবেন ?

 

Afifliate marketing prepeard

প্রথমে আপনি বাজার গবেষণা করেন এবং কে কোন ধরনের সমস্যায় আছে এবং কোন ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে তা সন্ধান করেন।

 ভিজিটররা ব্লগ বা সার্চ ইঙ্গিনে তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য অনেক কিছু খুঁজতে থাকে । যেমন ব্রণ থেকে কীভাবে মুক্তি পাবে, কীভাবে কুকুরকে  প্রশিক্ষণ দিতে হবে এবং এমন আরও হাজারো বিষয় রয়েছে যেখানে আপনি এই ধরনের পরিষেবাগুলি খুঁজে পেতে পারেন এবং এই রিলেটেড প্রোডাক্ট প্রচার করতে পারেন।

 এই ধরনের সমস্যা গুলো সমাধান করাই হল অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজ । এবং এই সমাধানটি আমরা করতে যাচ্ছি ।

 এর জন্য, আমরা বাজার পর্যবেক্ষণ করব এবং সঠিক ক্রেতাদের জন্য নির্দিষ্ট  সেরা পণ্যগুলি খুঁজে বের করবো ।

 এরপর আমরা একটি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ সেটআপ করতে যাচ্ছি এবং সেখানে বায়ারদের বিভিন্ন  সমস্যা এবং সমাধানের ব্যাখ্যা দিয়ে আর্টিকেল লিখবো । আর্টিকেলটি অবশ্যই সমাধানের জন্য লিখবো ।

 আর্টিকেলটি প্রস্তুত হয়ে গেলে, আমরা ব্লগের এসইও করবো এবং  এটি গুগলে যেন র‌্যাঙ্ক করে সে জন্য পর্যাপ্ত পরিমানে কাজ করবো । এছাড়াও অন্যান্য চ্যানেল গুলোতে আমাদের আর্টিকেল পাবলিশ করার ববস্থা করবো । এবং আমাদের আর্টিকেলটি শিগ্রই যেন অর্থোপার্জন শুরু করে সেই ব্যবস্থা করবো । 

 মুলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আমরা যে ভুল গুলো করি, সেটি হল আমরা খুব কম সময়েই উপার্জন চাই । আমরা গুগলে ভিবিন্ন বিষয় নিয়ে দেখি । এবং কিছু সময় পর একটি বা দুটি প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেয় । কিন্তু যখন দেখি অনেক কম্পিটিটর আছে তখন সরে আসি । এবং আমরা একটি ব্লগ তৈরি করার পর সেখানে অনেক ভিজিটর আসে কিনা সেটি দেখি । যখন দেখি কোন ভিজিটর নেই তখনি এই কাজ থেকে সরে যাই ।

তাহলে সঠিক অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য কি করবো ?

এমন একটি প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করতে হবে যার কম্পিটিটর  খুবই কম । কিন্তু সার্চ ভলিউম বেশী । প্রাথমিক পর্যায়ে এই ব্যাপারটি সঠিক ভাবে নির্ণয় করতে হবে । তারপর গুগলে রাঙ্ক করার জন্য এসইও করতে হবে । এই কাজটিই আমরা করতে যাচ্ছি ।

নিচে  কিছু অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর পরিসংখ্যান দিয়েছি ।

affiliate market research

emarketer মতে, ২০১৬  সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা বিক্রেতারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ৪.৭  বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছিল। এটি খুচরা বিক্রেতার মোট ডিজিটাল ব্যয়ের প্রায় ৭.৫ শতাংশ উপস্থাপন করে। In.com ম্যাগাজিনটি ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলো যে ২০২০ সালের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যয় বেড়ে ৬.৪ বিলিয়ন হয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর  ব্যয় বেড়ে ৮ বিলিয়ন ডলার ছেড়ে যাবে । 

এবং গুগল ট্রেন্ডস অনুসারে, “Affiliate Marketing” শব্দটির Search Volume সেপ্টেম্বর ২০১৬ থেকে সেপ্টেম্বর ২০১৭ পর্যন্ত ৩০ শতাংশ বেড়েছে।

এই মুহূর্তে  আপনি যদি গোপন কিছু  পেয়ে যান  এবং যেটি আপনাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হতে সাহায্য করবে! তাহলে কেমন হবে ?

Wonder-for-affiliate-marketing

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হওয়ার  সমাধান গুলো দেখুন ।

  • প্রথমত লাভজনক বিষয় সন্ধান করুন, এবং দেখুন কম্পিটিটর কম কি না ।
  • একটি SEO অপ্টিমাইজড ব্লগ সেটআপ করুন, যেন গুগল আপনার আর্টিকেল কে ভালোবাসে এবং রাঙ্ক দেয় ।
  • অ্যাডভান্স অফপেজ এসইও করুন । যেটি এই কোর্সে আমরা করবো ।
  • আপনার ভিজিটরদের বন্ধুতে পরিনত করুন । এবং তাদেরকে ভালো বিষয়ে ধারনা দিন ।
  • ভিজিটরদের কেনার বিষয়ে বিশ্বাস করান, আপনার আর্টিকেল পড়ে যেন প্রোডাক্ট কেনার উৎসাহ পায় এবং অন্যদের বলে সেটি করুন ।
  • সাবজেক্ট অনুযায়ী নির্দিষ্ট ভিজিটরদের কাছে প্রোডাক্ট বিক্রি করুন । যেটি আমরা এই কোর্সে দেখিয়েছি ।

উপরের এই কাজগুলোই আপনাকে আপনার গেমিং এ সফল হতে ১০০% সাহায্য করবে ।

  • কারন উপরের কাজ গুলো সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পারলে আপানর মূল্যবান সময় নষ্ট হবে না  ।
  • কারণ এখন আপনি জানেন কী করবেন, কখন করবেন এবং কীভাবে করবেন।
  • কারণ এই কাজগুলো আপানকে আর্থিক ভাবে মুক্ত করতে সাহায্য করবে ।
  • কারণ এই কাজগুলো করলে অ্যাডভারটাইজিং এর জন্য শত শত ডলার নষ্ট হবে না ।
  • যার ফলে আপনার বন্ধুবান্ধব, বাবা-মা, বাচ্চাদের এবং আপনার সহধর্মিণীর জন্য ইচ্ছা মত সময় দিতে পারবেন ।

যারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর কোর্সটি করতে আগ্রহি তাদের জন্য  নিচে ৫ টি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বাধ্যবাধকতা দেয়া হল, এই বিষয়গুলো আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে ।

restriction of affiliate marketing

#১ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোন  স্থিতিশীল ব্যবসা নয়  

২০২৩ সালে ৮ বিলিয়ন ডলার বাড়তে পারে এমন একটি ব্যবসা স্থিতিশীল ব্যবসা নয় । কারন এটি শুধু মাত্র একটি সমীক্ষা এটি নাও হতে পারে । তাহলে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করা যাবে না ?

আপনি কি মনে করেন যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং পরবর্তী ৫, ১০  বা ১৫  বছরে বন্ধ যাবে?

আসলে, বেশিরভাগ অফলাইন ব্যবসা বিপদে রয়েছে কারণ আমরা এখন অনলাইনে সমস্ত কিছু কিনতে পছন্দ করি। সুতরাং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং পরবর্তী কয়েক বছরের মধ্যে বিপ্লব আনতে চলেছে।

 #২  অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার  হওয়া খুব কঠিন । 

হ্যাঁ, আপনি যদি পদক্ষেপ না নেন তবে এটি কঠিন। আপনি যদি কোর্স কেনা চালিয়ে যান, ব্লগ পড়তে থাকেন, ভিডিও দেখেন এবং  সেঅনুসারে পদক্ষেপ না নিলেন, তবে নিশ্চিতভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হওয়া খুব কঠিন।

 “তবে আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে আপ্নার দ্বারা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্ভব তাহলে জেনে রাখুন আপ্নার জন্য এটি বিশ্বের সবচেয়ে সহজ ব্যবসা যেখানে আপনি বিশ্বের যে কোনও জায়গায় বসে অর্থোপার্জন করতে পারেন।”

  #৩  অনেক প্রযুক্তিগত জ্ঞান এর প্রয়োজন?

অনেকেই মনে করেন এই মার্কেটে নামতে হলে অনেক জ্ঞানের দরকার । হাঁ এটা সত্যি । কিছুটা কঠিন হলেও আপনাকে কোন কোডিং করতে হবেনা ।  অ্যাফিলিয়েট ব্লগ চালানোর জন্য খুব বেশি প্রযুক্তিগত জ্ঞানের প্রয়োজন হয় না। আপনার কেবলমাত্র একটি ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ, এবং অ্যাফিলিয়েট  লিঙ্কগুলি ট্র্যাকিং প্লাগইন এবং কিছু ভালো  মানের আর্টিকেল প্রয়োজন।

 #৪  এর জন্য প্রচুর অর্থ এবং সময় প্রয়োজন?

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয় না, তবে হ্যাঁ, বেসিকগুলি শিখতে আপনার সময় প্রয়োজন।

যদি এটি এত সহজ হত, তবে এই পৃথিবীর প্রত্যেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে যেত । 

আপনাকে বেসিকগুলি শিখার আগ্রহ জাগাতে হবে এবং নিজের অবস্থানের কথা চিন্তা করতে হবে । আপনাকে কিছু একটা হতেই হবে এরকম সংকল্প থাকতে হবে ।

 #৫ কেবল একটি ব্লগ শুরু করে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এ পরিণত হতে পারি ।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সহজ নয় যে, যে কেউ চাইলেই কীওয়ার্ড গবেষণা এবং ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ শুরু করে লাভজনক ব্লগ শুরু করতে পারেন। এখানে সুনির্দিষ্ট সাবজেক্ট এর কয়েকটি ব্লগ থাকা উত্তম । ভালো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটাররা এই কাজটি করে থাকেন ।  

 যদি এমনটি হত তবে বিশ্বে এতগুলি “ব্যর্থ অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার” থাকত না।

এত প্রতিকুলতার শর্তেও  আমি কেন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করছি?

difficult affiliate marketing

আমি চিন্তা করেছি আমি এত বছর পড়াশোনা করেও ১০,০০০/- টাকার জব পেতে কষ্ট হয় । ২৫ বছর পড়াশুনার পিছনে অনেক টাকা খরচ হয়েছে । কিন্তু কি পেলাম !!!

পরে ব্যবসার কথা চিন্তা করলাম ।  ব্যবসা  শুরু করার কিছু দিন পর শুরু হল লোকসান । এর কিছু কারন ছিল – প্রথমত সকল ক্ষেত্রে অনেক কম্পিটিটর , বাজার নিয়ন্ত্রন যারা করে তারাই সরাসরি গ্রাহকদের সাথে ক্রয় বিক্রয় শুরু করে দিয়েছে , চাহিদার তুলনায় বাজার অনেক বড়, রাজনৈতিক অস্থিতিশিলতা , লকডাউন , ঝর, বৃষ্টি, অনেক কিছু ।

আমি মানুষকে লড়াই করতে দেখেছি  । 

আমি বিভিন্ন সেমিনার এবং সম্মেলনে অনেক লোকের সাথে দেখা করি যারা গত ৩-৪ বছর ধরে ব্লগিংয়ের চেষ্টা করছেন এবং এখনও সেই মুহুর্তের জন্য অপেক্ষা করছেন জনপ্রিয়তা পেতে এবং অবশেষে অনলাইনে কিছু অর্থ উপার্জন করতে।

আমি দেখেছি আমার কাছের বন্দুরা রাত জেগে ১ লক্ষ টাকার ও বেশি আয় করছে । কিন্তু তারা এই ১ লক্ষ টাকার জন্য মাত্র ৩ থেকে ৪ বছর সময় দিয়েছে । তাহলে আমি কেন পারছি না !! আমি আরও সময় দিতে প্রস্তুত ।

কারন যেখানে ২৫ বছর পরাশুনা করে কোন কাজে আসেনি সেখানে মাত্র ৩ থেকে ৪ বছর !! এটা সত্যি ভালো খবর । তাই ঝাপিয়ে পরলাম অনলাইনে । মাত্র ৬ মাসের মাথায় আমি ৫০- ৬০ ডলার পেয়ে যাই ।

এবং একটি চ্যানেল করি । সবাই কে জানানোর চেষ্টা করছি । এই সুবাদে চ্যানেল থেকেও ইনকাম শুরু হয়ে যায় । এই পর্যন্ত বর্তমানে আমার ৫ টি ব্লগ । আমি যে শতভাগ সফল হয়েছি তা নয় । তবে অনেক কিছু পেয়েছি । এ জন্য আল্লাহর কাছে শুকরিয়া ।

আমি আমার এই গোপন অভিজ্ঞতা গুলো শেয়ার করতে চাই যেন সবাই অন্তত ভালো কিছু জানতে পারে । যেন ভুল না করে ।

এখানে আপনি কিছু অর্থ বিনিয়োগ করে আপনার জীবনের কয়েকটি মূল্যবান বছর বাঁচাতে পারবেন?

আপনি এখানে কিছু সফল ব্লগারদের গোপন টিপস শিখে শতভগ সফল হতে পারবেন ।

তাহলে কি কি বিষয় এবং কোন কৌশলগুলি জানতে পারলে আপনি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ সফল হবেন ? 

affiliate marketing success

 # ১: অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার মানসিকতা: একটি অ্যাফিলিয়েট মার্কেট সফলভাবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য কয়েকটি বাধা কাজ করে যা আপনার মাথার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে হবে। আপনাকে বিশ্বাস করাতে হবে পূর্বে আপনি যা শিখেছেন তার 99% এর বাস্তবে কোনও অস্তিত্ব নেই।

 # ২: কীভাবে একটি নিখুঁত ব্লগ সাইট তৈরি করবেন: একটি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্লগ সাইট এবং অন্য সাধারণ ব্লগের মধ্যে দিন রাত ব্যবধান রয়েছে,  সেই কারণেই অনেক নতুনরা তাদের প্রথম বিক্রয় দেখতে ব্যর্থ হন। আমি আপনাকে একটি নিখুঁত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ব্লগ সেটআপ করতে শেখাবো যেটি আপার কাঙ্ক্ষিত প্রথম ইনকাম এনে দিবে ।

 # ৩: কীভাবে আপ্নার ক্রেতাদের পণ্য ক্রয়ের জন্য বুঝাবেন: এখানে প্রচুর ব্লগ রয়েছে যারা আপনার মতো অ্যাফিলিয়েট করছে। যেহেতু অনেকগুলো ব্লগ রয়েছে বুঝতে হবে কম্পিটিটর রয়েছে । কিন্তু যারা ক্রেতা তারা কয়েকটি ব্লগ চেক করে তার পর কেনার সিদ্ধান্ত নেয় । তাই আপনাকে এই ব্যাপারে কৌশল দিব । যেন ক্রেতা আপ্নার কাছ থেকেই কিনতে বাধ্য হন ।

 # ৪: মার্কেট গবেষণা: আমি আপনাকে টপ রেটেড পণ্যগুলি খুঁজতে এবং অন্যান্য অ্যাফিলিয়েটাররা  কী করছে কি ভাবে টোটাল মার্কেট গবেষণা করতে হবে তা শিখিয়ে দিব ।

 # ৫: আর্টিকেলের বিষয়বস্তু: আপনার ব্লগে আর্টিকেল লেখার জন্য কিছু গোপন তথ্য আছে সেটি কি এবং কিভাবে আর্টিকেল লিখলে ক্রেতা বিরক্ত হবেনা সেতি শিখাব।

 # ৬ঃ কীওয়ার্ড রিসার্চ: নতুন ব্লগারদের অনেকেই কীওয়ার্ড রিসার্চ ভুল করছেন। এখানে আমি আপনাকে আপনার প্রোডাক্ট অনুযায়ী সাইটগুলির জন্য মার্কেটের সর্বসেরা কীওয়ার্ডগুলি খুঁজে পেতে সঠিক কৌশল গুলো দেখাব ।

 # ৭: ইমেল মার্কেটিং: কীভাবে বড় সংস্থাগুলি থেকে অ্যাফিলিয়েট কমিশনগুলি পাবেন এবং কিভাবে একটি মেইল লিস্ট তৈরি করে অটোরেস্পন্স করা যায় সেটি দেখাবো।

কিছু প্রশ্ন উত্তর

প্রশ্ন ১ ।  আমি একদম নতুন কিছুই জানিনা এই কোর্সটি করতে পারবো?

হ্যাঁ, পারবেন , তবে বেসিক এসইও এবং  বেসিক অ্যাফিলিয়েট সম্পর্কে ধারনা থাকলে আরও দ্রুত পারবেন ।

প্রশ্ন ২। এটি শুরু এবং শেষ করতে কত খরচ হবে?

প্রশিক্ষণের মূল্য ছাড়াও আপনাকে আরও ২৫ – ৩০ হাজার টাকা খরচ করতে হবে । কারন আমরা যে কৌশল গুল দেখিয়েছি এগুলো সবই আডভান্স তাই আপ্নকে কিছু টুল কিনতে হবে । তবে সব টাকা একেবারেই ইনভেস্ট করতে হবে তা নয় । কারন সব টুল একদিনেই কিনতে হবে না ।

প্রশ্ন ৩ । কোর্সটি কত দিন?

এই সম্পূর্ণ কোর্সটি ৭ মডিউলে বিভক্ত তাই সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করতে ৭-৮ দিন সময় লাগবে। তবে লাইভ ক্লাস হলে ১ মাস ১৫ দিন লাগবে । 

বর্তমানে লাইভ ক্লাস হবে তাই ১ মাস ১৫ দিন সময় লাগবে ।

প্রশ্ন ৪ । শুনেছি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং প্রতিযোগিতামূলক… এটা কি সত্য?

হ্যাঁ,  তবে আমি যে পদ্ধতিগুলি শিখিয়েছি সেগুলি আপনাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বাজারে সেরাদের তালিকায় স্থান করে দিবে । তবে একটু পরিশ্রম এবং মনযোগী হতে হবে ।

প্রশ্ন ৫ । ফলাফল দেখতে কতদিন লাগবে ?

আমরা ৬ মাসের টার্গেট দেয় । এই ৬ মাসের মধ্যে আপনি ইনকাম করতে পারবেন । (গুগলে কোন কন্টেন্ট রাঙ্ক করতে ৩ থেকে ৬ মাস সময় নেয়) তবে আপনি যদি ধীর গতিতে চলেন তাহলে এটা আপ্নার উপর নির্ভর করবে ।

প্রশ্ন ৬ । আমি কত টাকা উপার্জন করতে পারি?

এটা আপ্নার লক্ষ্যর উপর নির্ভর করবে । তবে প্রাথমিকভাবে নুন্নতম যেন ১০০ ডলার থেকে ২০০ ডলার উপার্জন করা যায় সেই ব্যবস্থা করবো।

প্রশ্ন ৭ ।  আমার যদি টাকা না থাকে তবে কী হবে?

তাহলে এই কোর্সটি আপনার জন্য নয়।

Warning for affiliate Marketing

কিছু সতর্কতা!

এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাই এই কোর্সের কিছু সতর্কতা রয়েছে । যেহেতু এটি লাইফের একটি অংশ এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অন্যান্য মার্কেটের মত না । এখানে সফলতার হার খুবই কম । তবে যারা জানে তাদের জন্য এটি অমূল্য কিছু ।

 এটি কোনও অলৌকিক ব্যাপার নয়। আপনি যদি মনে করে থাকেন যে একটি পেজে কয়েকটি প্রোডাক্ট দিয়ে প্রমোট করবেন আর ইনকাম আসবে তাহলে ভুল করবেন ।

এটি অলস অ্যাফিলিয়েটার জন্য নয়। (আপনাকে কাজ করতে হবে, বিশেষত শুরুতে । কোন মতেই কাজ থেমে রাখা যাবে না । আপনাকে বুঝতে হবে যে এটি আপ্নার চিন্তার চেয়েও কঠিন, তাহলে ব্যাপারটা সহজ হয়ে যাবে ।

এটি উচ্চাকাঙ্ক্ষী, দায়িত্বশীল, সম্পদশালী এবং স্ব-অনুপ্রাণিত ব্যক্তিদের জন্য।

এই কোর্সটির সাথে বোনাস হিসেবে কি কি পাবেন ?

affiliate marketing bonus
  • গুগলে রাঙ্ক করবে এরকম ২০০ টি প্রোডাক্ট আইডিয়া । যেগুলো ৩ মাস ধরে মার্কেট রিসার্চ করে বের করেছি । 

  • একটি ৫৯ ডলারের অ্যাফিলিয়েট থিম । 

  • লাইফটাইম ভিডিও লিংক অ্যাক্সেস এর সুবিধা । 

  • লাইফটাইম সাপোর্ট । 

  • সিক্রেট টেলিগ্রাম গ্রুপ লিংক ।  

২০২৩ সালকে টার্গেট করে আজকেই কাজে নেমে পড়ুন । এবং ২০২৩ সাল থেকে যেন প্রতি মাসে ৫০০ ডলার ইনকাম করতে পারেন সেই প্রতিজ্ঞা করুন ।

–  মোহাম্মাদ দাউদুল ইসলাম । 

     ডিজিটাল মার্কেটার

     আইটি হাউজ 

কোর্সটি পেতে নিচের পক্রিয়াটি সম্পন্ন করুন । এডিটিং এখনো শেষ হয়নি তাই কোর্সটি পেতে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন – ০১৮১৩-০১৫৭৫৭

মাত্র – ৯,৯৯৯/-   ১৪৯৯৯/-

হাই কোয়ালিটির ব্যাকলিংক পাওয়ার সহজ কৌশল !!

হাই কোয়ালিটির ব্যাকলিংক পাওয়ার সহজ কৌশল !!

কোনও ওয়েবসাইটকে দেখানো উচ্চমানের ব্যাকলিঙ্কগুলি সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ অনুসন্ধানের র্যাঙ্কিংয়ের একটি। অন্যান্য উচ্চমানের ওয়েবসাইটগুলি কোনও ওয়েবসাইটের সাথে লিঙ্ক করলে, এটি ইঞ্জিন ক্রলারগুলিতে অনুসন্ধানের জন্য ইতিবাচক সংকেত প্রেরণ করে, লিঙ্ক-টু ওয়েবসাইটটি তাদের মূল্যবান, দরকারী এবং ফলস্বরূপ অনুসন্ধানকারীরা খুশী হবেন বলে জানায়। এই সমস্ত কারণ লিংকযুক্ত-এর ওয়েবসাইটের অনুসন্ধানের র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করতে সহায়তা করে।

সুতরাং আপনি যদি নিজের ওয়েবসাইটটি অনুসন্ধান ইঞ্জিনের ফলাফলের পৃষ্ঠাগুলিতে দৃশ্যমানতা অর্জন করতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটের জন্য উচ্চ মানের ব্যাকলিংক তৈরির কৌশলটিতে জড়িত থাকতে হবে।

আপনার ওয়েবসাইটে লিঙ্কগুলি ফিরে পেতে কোনও সহজ, দ্রুত কৌশল নেই। তবে বিভিন্ন কৌশল রয়েছে যা একে অপরের সাথে একযোগে ব্যবহৃত হলে, আপনার সাইটটিকে উচ্চমানের ব্যাকলিঙ্কগুলি উপার্জন করতে এবং আপনার অনুসন্ধানের দৃশ্যমানতা উন্নত করতে সহায়তা করবে।

ব্যাকলিংক কি ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ?

হ্যাঁ – 

উচ্চ মানের ব্যাকলিংক তৈরির কৌশল
বিষয়বস্তু
আপনার সাইটের সামগ্রীতে ব্যাকলিঙ্কগুলি আকর্ষণ করার জন্য আপনার ওয়েবসাইটের ক্ষমতার উপর একটি বড় প্রভাব রয়েছে। এখানে কিছু কৌশল এবং লিঙ্ক বিল্ডিং কৌশলগুলি যা আপনার সাইটে থাকা সামগ্রীর লিঙ্ক পেতে আপনি প্রয়োগ করতে পারেন।

নং 1) আপনার সম্পূর্ণ সাইটে উচ্চমানের সামগ্রী প্রকাশ করুন
আগেরটা আগে. আপনার লিঙ্কগুলিকে আকর্ষণ করতে চাইলে আপনার ওয়েবসাইটের সমস্ত সামগ্রীই উচ্চ মানের এবং উচ্চ মানের হওয়া উচিত। আপনার সামগ্রী অন্য সাইটগুলিকে তারা আপনার সাথে লিঙ্ক করতে চায় কিনা তা নির্ধারণ করতে সহায়তা করে। এটি সামগ্রিকভাবে আপনার ব্র্যান্ড এবং সংস্থার প্রতিচ্ছবি। যদি আপনার ওয়েবসাইটের পৃষ্ঠাগুলি নিম্নমানের দেখায় বা মূল্যবান তথ্যের অভাব হয়, তবে অন্যান্য সাইটগুলি আপনাকে লিঙ্ক করার মতো কোনও অনুমোদিত ব্র্যান্ড হিসাবে দেখতে পাবে না। পেশাদার দেখায় এমন উচ্চমানের সামগ্রী তৈরি করতে এই লিখিত সামগ্রীগুলি ব্যবহার করুন এবং আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে লিঙ্কগুলি উপার্জন করতে পারে।

ব্যাকলিংক কি কিভাবে করবেন ? কিভাবে ব্যাকলিংক করেবেন ? ভিডিওটি দেখে জেনে নিন –

2 নং) আসল গবেষণা প্রকাশ করুন
উচ্চমানের ব্যাকলিঙ্কগুলি আকর্ষণ করতে আপনি নিজের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করতে পারেন এক ধরণের সামগ্রী হ’ল মূল গবেষণা। সমীক্ষা পরিচালনা করুন, আপনার ব্যবসায়ের ডেটা ব্যবহার করুন, কেস স্টাডি তৈরি করুন এবং অন্যান্য বিষয়বস্তু তৈরি করুন যা মূল গবেষণার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে যা অন্য সাইটগুলিতে পাওয়া যায় না। আপনি যখন মূল পরিসংখ্যান এবং ডেটা প্রকাশ করেন তখন অন্যান্য সাইটগুলি আপনার তাজা এবং নতুন তথ্যের সাথে আবার লিঙ্ক করতে পারে।

সম্পর্কিত: নোফলো বনাম ডিফলো লিংক: সেগুলি কী?

নং 3) বিস্তৃত সংস্থান তৈরি করুন
অন্যান্য প্রকাশকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে এবং উচ্চমানের ব্যাকলিঙ্কগুলি তৈরি করতে সামগ্রী ব্যবহার করার আরেকটি উপায় হ’ল ব্যাপক, গভীরতর সংস্থান তৈরি করা। বিশদ, উচ্চ-মূল্য নির্দেশিকা, চেকলিস্ট এবং গ্লোসারিগুলি তৈরি করুন যা অন্যান্য ওয়েবসাইটগুলি লিঙ্ক করার উপযুক্ত উত্স হিসাবে দেখবে। বিস্তৃত সংস্থার উদাহরণ হ’ল আমাদের সম্প্রতি প্রকাশিত বিপণন গবেষণার সম্পূর্ণ গাইড।

4 নং) আপনার লিখিত সামগ্রী হিসাবে তালিকা প্রকাশ করুন
শ্রোতাদের পছন্দের পোস্টগুলি তালিকা হিসাবে প্রকাশিত হয়। স্ক্যানযোগ্যতা এবং কামড়ের আকারের তথ্যগুলি এই ফর্ম্যাটটিকে উভয় ডেস্কটপ এবং হাত-ধরে থাকা ডিভাইসে পড়তে সহজ করে তোলে। আরও মনোযোগ আকর্ষণ করার জন্য আরও বড় সংস্থান বা শীর্ষ ব্লগ পোস্টকে তালিকা হিসাবে ফর্ম্যাট করে এই শ্রোতার আগ্রহের জন্য আলতো চাপুন more

নং 5) ভিজ্যুয়াল চালিত সামগ্রী তৈরি করুন
উচ্চমানের ব্যাকলিঙ্কগুলি পেতে সামগ্রী তৈরি করার সময়, অনুলিপি এবং পাঠ্যের উপরে সম্পূর্ণ মনোনিবেশ করবেন না। দৃষ্টিভঙ্গি দ্বারা চালিত সামগ্রী এমন লিঙ্কগুলিকেও আকর্ষণ করতে পারে। প্রকৃতপক্ষে, চার্ট, ইনফোগ্রাফিক্স এবং ভিডিওগুলির মতো মিডিয়াগুলি অন্য সাইট থেকে লিঙ্কিংগুলি আকর্ষণ করতে আরও কার্যকর। সুতরাং কেবল অনুলিপি-ভিত্তিক সামগ্রী তৈরি করবেন না। আপনার পোস্টগুলিতে গ্রাফিকগুলি যুক্ত করুন এবং অত্যাশ্চর্য, তথ্যবহুল গ্রাফিক্স তৈরি করুন যা তাদের নিজেরাই দাঁড়াতে পারে।

No. নং) চিরসবুজ সামগ্রীর একটি লাইব্রেরি তৈরি করুন
ওয়েবসাইটগুলি প্রায়শই ওয়েব পৃষ্ঠাগুলিতে লিঙ্ক করে যা কালজয়ী তথ্য দেয় যা দীর্ঘ সময়ের জন্য প্রাসঙ্গিক হবে। এই জাতীয় চিরসবুজ সামগ্রী প্রায়শই এর সাথে যুক্ত থাকে, কারণ অন্যান্য প্রকাশকরা জানেন যে এটি দীর্ঘমেয়াদী মূল্য প্রদান করবে এবং এর মেয়াদ শেষ হওয়ার বা অপ্রাসঙ্গিক হওয়ার সম্ভাবনা কম। আপনার ওয়েবসাইটে আরও লিঙ্কগুলিকে উত্সাহিত করতে আপনার সাইটে এই ধরণের চিরসবুজ সংস্থান এবং পৃষ্ঠাগুলি তৈরি করুন।

No. নং) নিউজ এবং ট্রেন্ডিংয়ের বিষয়গুলিতে আলতো চাপুন
যদিও চিরসবুজ সামগ্রী লিঙ্কগুলি তৈরি করবে এবং সময়ের সাথে সাথে মূল্য প্রদান করবে, উচ্চ মানের ব্যাকলিংকগুলি তৈরি করতে আপনার সাইটে সময় সংবেদনশীল সামগ্রী প্রকাশ করাও উপকারী হতে পারে। ট্রেন্ডিং বা সংবাদযোগ্য বিষয়গুলির বিষয়বস্তু প্রায়শই নিউজ সাইটগুলি এবং অন্যান্য দ্রুত চলমান মিডিয়া আউটলেটগুলির লিঙ্কগুলিতে নিয়ে যেতে পারে। এই ধরণের সামগ্রী চিরসবুজ সামগ্রীর স্থায়ী লিঙ্কিং মান সরবরাহ না করে তবে এটি দ্রুত, প্রাসঙ্গিক লিঙ্কগুলি পেতে সহায়তা করতে পারে। Annualতুগত ইভেন্টগুলির সুবিধা নিতে আমাদের বার্ষিক সামগ্রী ক্যালেন্ডারটি ব্যবহার করুন। আমরা সর্বাধিক ট্র্যাফিক এবং শেয়ারের জন্য ট্রেন্ডিং সামগ্রীর পরিকল্পনা, প্রকাশ এবং প্রচারের জন্য সেরা সময়রেখার রূপরেখা করি।

8 নং) আপনার সামগ্রীতে লিঙ্ক করা সহজ করুন
উচ্চ-মূল্যবান, উচ্চ মানের সামগ্রী তৈরি করা আপনার পৃষ্ঠাগুলিতে আবার লিঙ্ক করার জন্য অন্যান্য সাইটগুলি পাওয়ার সম্ভাবনাগুলিকে উন্নতি করবে। অন্যান্য প্রকাশকদের আপনার সাইটে আবার লিঙ্ক করা সহজ করে আপনি এই প্রতিকূলতাকে উন্নত করতে পারেন। এইচটিএমএল প্রস্তুত স্নিপেটগুলি ব্যবহার করুন যা অন্য প্রকাশকরা তাদের সাইটে অনুলিপি করতে এবং আপনার লিঙ্ক করতে পারে। এবং ব্যবহারকারীরা আপনার সাইট থেকে সামগ্রী অনুলিপি এবং পেস্ট করার সময় এমন কোনও সরঞ্জাম ব্যবহার করুন যা আপনার সাইটে একটি লিঙ্ক প্রবেশ করিয়ে দেয়।

 

আউটরিচ
দুর্দান্ত, উচ্চমানের সামগ্রী তৈরি করা আপনাকে জৈবিকভাবে এমন প্রকাশকদের লিঙ্ক উপার্জনে সহায়তা করে যারা আপনার কাজের মূল্য এবং প্রশংসা করে। তবে আরও লিঙ্কগুলি পেতে আপনার অন্যান্য বিষয়বস্তু সন্ধান করতে এবং আপনাকে লিঙ্ক করা চয়ন করতে অন্য ব্লগ এবং ওয়েবসাইটগুলিতে যোগাযোগ করতে হবে।

নং 9) উচ্চ মানের লিঙ্কগুলি কীভাবে সনাক্ত করতে হয় তা জানুন
সমস্ত লিঙ্কের একই মান হয় না। অনুমোদনের সাইটগুলি থেকে আসা লিঙ্কগুলি নিম্নমানের সাইটের লিঙ্কগুলির চেয়ে আপনার অনুসন্ধানের র্যাঙ্কিংয়ের উন্নতি করবে। সুতরাং আপনি যখন আপনার লিঙ্ক বিল্ডিং আউটরিচের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, কোন সাইটগুলি অনুসরণ করার পক্ষে মূল্যবান তা জেনে রাখুন এবং কেবল আপনার সময় এবং প্রচেষ্টার জন্য উপযুক্ত সাইটগুলিতে পৌঁছাতে পারেন। একটি দ্রুত মানদণ্ড: একটি শক্তিশালী আলেক্সা র্যাঙ্কের সন্ধান করুন। অ্যালেক্সা র্যাঙ্কটি দেখায় যে কোনও সাইট অনলাইনে কতটা অনুমোদনযোগ্য। সংখ্যা যত কম হবে, সাইটের কর্তৃত্ব তত বেশি এবং সাইট থেকে ফিরে আসা লিঙ্কটি তত বেশি মূল্যবান। অ্যালেক্সার ফ্রি সাইট ওভারভিউ সরঞ্জামটি ব্যবহার করে কোনও সাইটের আলেক্সা রেঙ্কটি পৌঁছানোর আগে তাদের পরীক্ষা করুন।

আপনার সাইটের জন্য সেরা ব্যাকলিঙ্কগুলির প্রকার সম্পর্কে আরও জানতে, এই পোস্টটি পড়ুন: 14 ব্যাকলিংকের ধরণ: ভাল, খারাপ এবং সেরা

নং 10) প্রতিযোগীদের লিঙ্কযুক্ত সাইটগুলিতে পৌঁছান
আপনার ওয়েবসাইটটিতে আবার লিঙ্ক করতে পারে এমন সাইটগুলি সনাক্ত করতে, প্রথমে আপনার প্রতিযোগীদের সাথে ফিরে লিঙ্ক করা সাইটগুলি দেখুন। আলেক্সার প্রতিযোগী ব্যাকলিংক পরীক্ষক ব্যবহার করুন এবং আপনার নিজের সহ 10 টি পর্যন্ত সাইট প্রবেশ করুন। সরঞ্জামটি একটি উচ্চ মানের ব্যাকলিংক তালিকা সরবরাহ করে, কারণ এটি ইতিমধ্যে আপনার প্রতিযোগীদের সাথে সংযুক্ত থাকা সমস্ত সাইট দেখায়। আপনার সাইটের ফাঁক দেখাতে ব্যাকলিংক ফাঁক ফিল্টারটি ব্যবহার করুন, যেখানে প্রতিযোগীরা লিঙ্ক পাচ্ছেন তবে আপনি নেই।

আপনি নিরাপদে ধরে নিতে পারেন যে সাইটগুলি যদি আপনার প্রতিযোগীদের সাথে লিঙ্ক করে তবে আপনার সাইট থেকেও একটি লিঙ্ক পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিযোগীর সাথে লিঙ্কযুক্ত সঠিক URL পেতে যে কোনও ব্যাকলিঙ্ক ওয়েবসাইটে ক্লিক করুন। আপনার প্রতিযোগীর সাথে লিঙ্কযুক্ত সামগ্রীর ধরণটি দেখুন এবং তারপরে একই ক্ষমতাতে আপনার ওয়েবসাইটে একটি লিঙ্ক প্রকাশ করার জন্য প্রকাশকের কাছে একটি অনুরোধ প্রেরণ করুন। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার প্রতিযোগী আপনার শিল্পের ব্যবসায়ের একটি রাউন্ডআপ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত থাকে তবে তাদেরকে আপনার পণ্য বা পরিষেবা সম্পর্কে জানাতে যোগাযোগ করুন। তাদের একটি বাধ্যতামূলক কারণ দিন যে তালিকায় আপনার ব্যবসা যুক্ত করা তাদের পাঠকদের অভিজ্ঞতা উন্নত করবে।

বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যত কেমন ?

বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যত কেমন ?

ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অবস্থা কেমন হবে সেটি যদি জানতে চাই তাহলে নিচে এর কিছু  দিক নির্দেশনা দেখি ।

একটি উধাহরন দেয় – কোন একটি বিষয় , বস্তু, বা  সার্ভিস যদি ভবিষ্যতে অধিক ব্যাপ্তি লাভ করে তাহলে আগে থেকেই এর প্রভাব বুঝা যায় ।

কি কি বিষয় পরিলক্ষিত হলে বুঝে নিবেন এর ভবিষ্যৎ ভালো ?

১. সারচিং ভেলু ।

২. কম্পিটিটরস

৩. নিউজ পেপার হেডিংস

৪. অনলাইন  নিউজ ।

৫. ইউজার  ট্রেনডস ।

সারচিং ভেলু

আমরা যখন কোন কিছু লিখে গুগল এ সার্চ করি তখন গুগল আমাদের কে একটি সার্চ রেজাল্ট দেখায় । সেখানে আপনি সার্চ ভেলু দেখতে পারেন । এর জন্য একটি টুলস রয়েছে । যার নাম KeyWords Everywhere.

এই টুলস টি আপনারা এক্সটেনশন এ  এড করে নিলেই ভেলু টি দেখতে পাবেন ।

কিভাবে এড করবেন ?

প্রথমে গুগল সার্চ এ লিখুন “keyword everywhere extention”

নিচে ছবিতে দেখুন

এর পর  অ্যাড টু ক্রোম বাটন এ ক্লিক করুন।

Keyword everywhere

ad to chrome

এক্সটেনশন টি পুরো অ্যাক্টিভ করার পর গুগল সার্চ এ কিছু একটা লিখুন, যেটির মার্কেট ভেলু আপনার  জানা দরকার ।  যেমন আমি লিখেছি “ডিজিটাল মার্কেটিং ইন বাংলাদেশ” ।

নিচের  ছবিতে দেখুন এর সার্চ ভেলু ৪৮০ দেখাচ্ছে ।

480/mo =   বলতে বুজায় প্রতি মাসে ৪৮০ জন ইউজার এই লেখাটা লিখে সার্চ করে ।

এই সার্চ ভেলু বাংলাদেশ এর বাজারের জন্য বিশাল ব্যাপার । এবং আগামি ৩ বছর পর এর ভেলু হতে পারে ৪০০০ এর ও বেশি ।

এর ভেলু আরও কেন বাড়তে পারে সেটি জানার জন্য ভিবিন্ন দেশের ইন্টারনেট ব্যাবহার কারিদের একটি তালিকা দেখব ।

Internet users by country 2017 – Wiki

উইকিপিডিয়ার মতে ২০১৭ সালে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী ছিল চায়না । তাদের রাঙ্ক ছিল ১ এ । এবং ইন্ডিয়া ছিল ২য় অবস্থান এ ।  এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ছিল ২৬ তম রাঙ্ক এ ।  এবং ইউজার সংখ্যা ছিল ২,৯৭,৩৮,০০০ । প্রায় ৩ কোটির কাছাকাছি ।

এবার ২০১৮ এর অবস্থান দেখব । ওয়িকিপিডয়া ছাড়াও আরও একটি ওয়েব সাইট এর পাওয়া তথ্য থেকে নিচের ছবিটি দেয়া হল ।

Internet users by country 2018 – By Internet World Stats

Internetworld Stats এর মতে ২০১৮ সালে চায়নার অবস্থান ১ । ইন্ডিয়া ২ । এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের অবস্থান ১০ । এবং ইন্টারনেট  ইউজার এর সংখ্যা প্রায় ৯ কোটির  কাছাকাছি । ব্যাপার তা অবাক করার মত । ১ বছরের মাথায় এত পরিমান ইউজার কিভাবে বাড়ল ।

এখন আর বুজতে বাকি নেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর সার্চ ভেলু এত ভালো কেন । তাই বাংলাদেশে এটি আশার সঞ্চার করছে । এবং চাকুরির বাজারের আরেকটি পদ যুক্ত হল । এখন শুধু এর প্রসারই ঘটবে ।

তাই নিজেকে এক্সপার্ট করে ফেলুন । এবং নিজে একটি ব্লগ খুলে অভিজ্ঞতা গুলো শেয়ার করুন । এবং আপনার ব্লগটিকে মার্কেটিং করে পণ্য বিক্রি করুন ।

Competitors

বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিং এর বাজারে অনেক কম্পিটিশন শুরু হয়েছে । আপনি ইউটিউব এ সার্চ করলেই জানবেন।  ইউটিউব-এ এর প্রচুর টিউটোরিয়াল রয়েছে ।

তাই এর কম্পিটিশন দেখে বুজে নেয়া যায় এর  ভবিষ্যৎ অনেক উজ্জ্বল ।

 News Paper Headings :

বর্তমানে আমাদের দেশে  অনেক গুলো দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়।  এর পাশাপাশি অনেক গুলো অনলাইন দৈনিক ও রয়েছে।  এবং ফেস বুক এ নিউজ এর কত হাজার পেজ রয়েছে সেটা একমাত্র ফেসবক ই জানে।

ব্যক্তিগত ভাবে আমি  অনলাইন নিউজ ই বেশি দেখি।  সেখানে আইটি পেজ এ ফ্রীল্যানসিং নিয়ে অনেক অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের  অভিজ্ঞতার কথা রয়েছে।  এর পাশা পাশি ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর বেশ লিখা রয়েছে।  সেখানে দেখতে পাই এর দারুন বভিষ্যৎ।

যেহেতু ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে নিয়মিত  নিউজ হয় সেহেতু  বলতে পারি এর বভিষ্যৎ ভালো।

User trends

ইউজার ট্রেড বলতে কোন বিষয় কতবার সার্চ হয় বা কি পরিমান  ইউজার একটি বিষয়  দেখে তার ভেলুই হল ইউজার ট্রেনড ।

যেমন ধরুন ডিজিটাল মার্কেটিং ইন বাংলাদেশ – এই কথাটি  লিখে  যদি গুগল ট্রেনড এ সার্চ করে তাহলে  আমরা দেখব  কি পরিমাণ ইউজার ডিজিটাল মার্কেটিং  নিয়ে গুগলে  সার্চ করে । নিচে দেখুন.

আপনি গুগলে গুগল ট্রেন্ড লিখে দিলে প্রথমেই লিংক টি দেখাবে।  এই লিংক টি ওপেন করুন এবং আপনি “ডিজিটাল মার্কেটিং” কথাটি লিখে সার্চ করুন এবং দেখুন কি পরিমাণ  ভ্যালু দেখায়।

ডিজিটাল মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং

ডান পাশের অপশন থেকে বাংলাদেশ  সিলেক্ট করুন। এবং সার্চ বার  এ  লিখুন “ডিজিটাল মার্কেটিং” .  কী বোর্ড থেকে এন্টার  প্রেস করুন. এবং দেখুন বাংলাদেশের সিটি গুলোতে কি পরিমান সার্চ হয়.

google trend result

একইভাবে আপনার ইচ্ছামতো যেকনো  বিষয়ের ভ্যালু জানতে পারবেন।  এবং আপনি কোনো প্রোডাক্ট নিয়ে যদি ব্যবসা করতে চান সে বিষয়েও জানতে পারেন।

 

মূল বেপার হলো আপনি কি করতে চান সেটি ভালো করে রপ্ত  করতে হবে।   এবং সেই দিকে সফল না  হওয়া পর্যন্ত এগিয়ে যেতে হবে।

মনে রাখতে হবে সব কিছুরই শেষ আছে এবং শেষের পর ফলাফল আছে।  সেই ফলাফল পর্যন্ত আপনাকে কাজ করে যেতে হবে।

 

সবশেষে বলবো বাংলাদেশে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যত অনেক ভালো।  তবে ডিজিটাল মার্কেটিং একদিনের  কাজ না। এটি অনেক ধৈর্য্য এবং পরিশ্রমের কাজ।  আমি ডিজিটাল মার্কেটিং এর একজন ছাত্র হিসেবেই আপনাকে নিরাশ করছি না।

বরং আমার কথা শুনে কাজে নামলে আমি বুজে  নিবো আপনার  অনেক পরিকল্পনা রয়েছে।  নিজেকে গুগলের জগতে দেখতে চাইলে  নেমেই পড়ুন ডিজিটাল মার্কেটিং  এ।  এবং অন্যদের জানিয়ে দিন আপনিও পারেন।

নিজেকে যদি অন্যদের কাছে তুলে ধরতে চান,  তাহলে অবশ্যই ডিজিটাল মার্কেটিং করতে  হবে । আজই তৈরী করুন আপনার  স্বপ্নের গোল।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি ? কিভাবে করবেন ? 

 

ফাইভার কি ? ফাইভার কিভাবে কাজ করে ? (ফ্রিল্যান্সিং কোর্স)

ফাইভার কি ? ফাইভার কিভাবে কাজ করে ? (ফ্রিল্যান্সিং কোর্স)

ফাইভার কি ?[ps2id id=’fiverr1′ target=”/]

ফাইভার হল ফ্রিল্যান্সিং কাজের বড় একটি  মার্কেটপ্লেস । এই মার্কেট প্লেসে অনেক বায়ার বা ক্রেতা আসে তাদের কাজ সম্পন্ন করার জন্য যেমন কেউ আসে ডাটা এন্ট্রির জন্য, কেউ আসে গ্রাপিক্স ডিজাইন কেউবা আসে ওয়েবপেজ ডিজাইন করানোর জন্য ।  এখানে কাজের  অভাব নেই । আপনি কি ধরনের কাজ জানেন এটিই হল মুল কথা ।

ভালো ফ্রিল্যান্সিং কোর্স কোথায় পাবেন ?[ps2id id=’fiverr2′ target=”/]

মাত্র ১০ ডলারে  Udemy তে অনেক ভালো ভালো কোর্স পাওয়া যায়, চাইলে ইউডেমি থেকে কিনে নিতে পারেন । আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এর ছাত্র তাই ছাত্র হিসেবে  অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেছে যে কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করে উপার্জন করা যায় (ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাথে ফ্রীলান্সিং এর একটা সম্পর্ক আছে)।  এবং আমার ইউটিউব চ্যানেলেও অনেকই এই প্রশ্নটা করেছে ।

তাই ফাইভার এবং ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে আমি একটা কোর্স তৈরি করেছি । এই কোর্স এ আমি কিছু কৌশল অভলম্বন করেছি । এবং যেগুলো করে আমিও উপার্জন করি । এবং এটি একটি লাইভ প্রজেক্ট কোর্স । প্রথমে আমি একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছি এবং সেই অ্যাকাউন্ট এ মাত্র একটি গিগ তৈরি করে রাঙ্ক করেছি, এবং উপার্জন করেছি । পুরো কোর্সটিতে কৌশল গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে ।

কোর্স এর লাইভ এই ভিডিও টি দেখতে পারেন –

এই কোর্সে কি কি থাকছে –

  • প্রোফাইল তৈরি করন
  • গিগ এসইও
  • গিগ ডিসক্রিপশন তৈরি
  • গিগ মার্কেটিং কৌশল
  • Social Media Marketing
  • Back link for Ranking
  • বায়ার রিকোয়েস্ট অফার সাবমিট
  • freelancer hire
  • payoneer account approved
  • রিভিউ দেয়া
  • কম্পিটিটর রিসার্চ
  • টারগেটিং গিগ
  • বিগ সিক্রেট
  • কাস্টমারদের সাথে কাজের বিষয়ে কথা বলা
  • কাস্টমারদের কাছে কাজ ডেলিভারি দেয়া
  • অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি করন
  • বাংলাদেশি ব্যাঙ্কের সাথে লিংক করন
  • টাকা উত্তলন
  • সিক্রেট গ্রুপ এ আমাদের সাপোর্ট নেয়া
  • লাইভ অনলাইন সেমিনার
  • লাইফ টাইম ভিডিও আপডেট

কোর্সটি পেতে যোগাযোগ করুন – ০১৮১৩-০১৫৭৫৭ ইমেইল ঃ ithousedhk@gmail.com

ফাইভার কিভাবে কাজ করে ?[ps2id id=’fiverr3′ target=”/]

অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের তুলনায় ফাইভারের কাজ নেয়ার ধরন একটু আলাদা। এখানে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের   কাজ বা সার্ভিস ফাইভারে আপলোড করে দেয় । যাকে বলা হয় গিগ । আপনার সার্ভিস বা কাজ যেটি আপনি ফাইভারে আপলোড করবেন, সেটিকেই বলা হয় গিগ ।

ফাইভারে অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনার প্রফাইলে (Create Gig) নামে একটি গিয়ার আইকন দেখবেন , সেখানেই ক্লিক করে গিগ তৈরি করতে হয় । বায়ার এই গিগ দেখে অর্ডার করে । অর্ডার করার পর, ফাইভার ড্যাশবোর্ডে গিগের সমপরিমান ডলার জমা থাকে।

আপনি যখন কাজ ডেলিভারি দিবেন তখন বায়ার কাজ দেখে ভাল লাগলে অর্ডার ফাইনাল করে দিবে । ফাইনাল হওয়ার ১৪ দিন পর ফাইভার আপনার ড্যাশবোর্ডে ডলার ট্রান্সফার করবে (এর কারন হল, কাজে কোন ভুল থাকলে সেক্ষেত্রে এই ১৪ দিনের মধ্যে বায়ার রিভিউ করতে পারবে)। এইভাবেই ফাইভার কাজ করে । এবং অন্যান্য মার্কেটপ্লেসও প্রায়ই একই ভাবে কাজ করে থাকে ।

ফাইভারে কাজ করতে হলে কি ধরনের অভিজ্ঞতা লাগবে ? ফাইভারে কি ধরনের কাজ করা যায় ?[ps2id id=’fiverr4′ target=”/]

অনলাইনে কাজ করা যায় এমন সব ধরনের কাজই ফাইভারে করতে পারবেন ।  যেমন –

  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়েব ডিজাইন
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • আর্টিকেল রাইটিং
  • ভিডিও ক্রিয়েশন অ্যান্ড এনিমেশন
  • বিজনেস
  • মিউজিক অ্যান্ড অডিও
  • লাইফ স্টাইল
  • সফটওয়্যার ডেভলপিং
  • ডাটা এন্ট্রি

এগুলো একেকটি ক্যাটাগরি । এই ক্যাটাগরির ভেতর আরও অনেক ক্যাটাগরি রয়েছে । নিচের ছবিতে দেখুন –

fiverr work cetegory

fiverr work category

কিভাবে ফাইভারে অর্ডার পাওয়া যায় ?[ps2id id=’fiverr5′ target=”/]

ফাইভারে অর্ডার পেতে হলে আপনাকে মার্কেটিং করতে হবে । অনলাইনে মার্কেটিং করার অনেক প্লেস রয়েছে । যেমন সোশ্যাল মিডিয়া । সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করার কিছু কৌশল রয়েছে । যে কৌশল গুলো এই কোর্সে বিস্তারিত দেখিয়েছি । আপনি চাইলে নিজেও মার্কেটিং করতে পারেন, তবে এজন্য আপনাকে ব্লগ পড়তে হবে । ব্লগ পরার অভ্যাস থাকলে আপনি এই কাজে সফল হবেন । আমি এই ফাইভার কোর্সে যে কৌশল গুলো দেখিয়েছি সেগুলো অনলাইন থেকে জেনেছি ।

আমারা অনেকেই ফেইসবুক ব্যাবহার করি কিন্তু ফেইসবুক এ যেকোনো লিংক শেয়ার করতে হলে এর অনেকগুলো নিয়ম আছে । যেগুলো আমরা অনেকেই জানিনা ।  তাই ফাইভারের কোন গিগ শেয়ার করার আগে ভালো ভাবে জেনেনিন কোথায় কিভাবে শেয়ার করবেন । আর ফেসবুক ছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক মার্কেটপ্লেস আছে, যেমন –

socail Media Image

Social-Media_Platform

১. টুইটার

২. ইন্সটাগ্রাম

৩.ইউটিউব

৪. লিংকডইন

৫. পিনটারেস্ট আরও অনেক ।

তবে এগুলো সবার কাছে পরিচিত । এই মার্কেটপ্লেস গুলোতে অ্যাকাউন্ট ওপেন করে খুব সহজেই গিগ মার্কেটিং করতে পারেন । এতে করে ফাইভার গিগ এর ইম্প্রেশন বাড়বে এবং অর্ডার আসতে থাকবে ।

এখন একটি প্রশ্ন করতে পারেন, সেটা হল কতদিন পর্যন্ত আপনি গিগ মার্কেটিং করবেন ?

এর উত্তর হল কমপক্ষে ৩ মাস মার্কেটিং করুন । তবে অবশ্যই কৌশল জানতে হবে । যদি সঠিক পন্থায় মার্কেটিং করতে পারেন তাহলে অবশ্যই অর্ডার আসবে । গিগ মার্কেটিং করার পাশাপাশি আপনার ফাইভার গিগটি রাঙ্ক করার জন্য ব্যাকলিংক করতে হবে । এই কোর্সে সেটিও দেখিয়েছি । ব্যাকলিংক করে গিগ রাঙ্ক করতে পারলে আপনার অর্ডার খুব তাড়াতাড়ি আসবে । ব্যাকলিংক ভিবিন্ন ভাবে করা যায় যেমন ব্লগ কমেন্টের মাধ্যমে ব্যাকলিংক করতে পারেন । ওয়েব ২.০ তে ব্যাকলিংক করতে পারেন । সেক্ষেত্রে আপনার ফাইভারের গিগটি খুব তাড়াতাড়ি রাঙ্ক করবে ।

শেষে একটি কথা বলবো সেটি হল আপনি অনেক কিছু নিয়ে কাজ করবেননা । শুধু একটা জায়গায় থাকুন । যেকোনো একটা লাইনে হাটতে থাকুন । বার বার জায়গা বদল করা ভালো কাজ না । এতে করে কাজে অনিহা বাড়ে ।

মনে রাখবেন যেকোনো মার্কেট প্লেসে অনেক কম্পিটিটর আছে , সবার সাথে পাল্লা দিয়ে নিজেকে সামনে নিয়ে যেতে হবে । আপনার ইচ্ছা শক্তিকে বাড়াতে হবে, সবাই পারে আপনি কেন পারবেননা । এখনি সিদ্ধান্ত নিন এবং কোন দিকে না তাকিয়ে কাজ শুরু করে দিন । প্রয়োজনে আমাদের সাপোর্ট নিন ।

আমাদের কোর্সের গ্রুপ লিংক –

  • ফেসবুক
  • টুইটার
  • লিংকডইন

 

ধন্যবাদ

দাউদুল ইসলাম

(ডিজিটাল মার্কেটার এন্ড মানেজিং ডিরেক্টর অব আইটি হাউজ)

 

ডিজিটাল মার্কেটিং কি, কিভাবে শিখবেন?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি, কিভাবে শিখবেন?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি ? কিভাবে করবেন ?[ps2id id=’digital’ target=”/]

ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করতে হলে আমাদের প্রথমে কি করতে হবে ?

এই পশ্নের উত্তর দিতে হলে আমাদের কে আর কিছু ব্যাপার দেখতে হবে ।

প্রথমে ভাল করে বুজতে হবে,  ডিজিটাল মার্কেটিং কি ?

সহজ কথায় কম্পানি গুলো তাদের পণ্য অথবা কোন সার্ভিস যখন অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করে তখন তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে ।

যদি বর্ণনা পরতে ভাল না লাগে তবে ভিডিওটি দেখতে পারেন এখানে সবকিছুর সমাধান পেয়ে যাবেন ।

আপনি যে কোন ধরনের পণ্য বিক্রি করতে পারেন । কারন অনলাইনে যে কোন  পণ্যের বাজার এত বিশাল যে আপনি পরিমাপ করতে পারবেন না । এইখন হয়তো আপনি ভাববেন যে আপনার পণ্য এত বিশাল বাজারে কিভাবে স্থান পাবে ।

এটা নিয়ে চিন্তার কিছুইনেই । একটি উদাহরন দেয়া যাক । আপনি যদি এমেরিকা যেতে চান তাহলে কি করবেন । অবশ্যই আপনাকে রাস্তা খুজে বের করতে হবে । হয়তো প্লেন এ ছড়ে নয়তো জাহাজে করে । আপনার কাজ হল আপনি টিকেট কাটবেন ।

আর প্লেন অথবা জাহাজে উঠে বসে থাকবেন । আপনাকে গন্তব্যে  নেয়ার দায়িত্ব পাইলটের । ঠিক এভাবেই অনলাইনেও আপনার প্রোডাক্ট  গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার অনেক যন্ত্র রয়েছে ।

আপনাকে এর সঠিক পথ বেছে নিতে হবে । এবং ধাপে ধাপে সামনে যেতে হবে । এ ব্যাপারে আমি  আপনাকে কিছু পথ দেখাব । যে পথ গুলো আপনাকে আপনার গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার বেবস্থা করে দিবে ।

প্রথম জেনে নেয় কয়তি পদ্ধতিতে হয়ে থাকে ?

  • ডিজিটাল মার্কেটিং ২ টি উপায়ে হয়ে থাকে ।

১। পেইড মেথড ।

২। নন পেইড মেথড । ( অরগানিক সিস্টেম )

পেইড মেথড[ps2id id=’digital1′ target=”/]

  • পেইড মেথড হল টাকা খরচ করে আপনার পণ্যকে অনলাইএ প্রচার করা ।
  • আর নন পেইড বা অর্গানিক মেথড হল আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না । শুধু জানতে হবে কিভাবে অর্গানিক পদ্ধতিতে মার্কেটিং করে ।

যদি আপনি আপনার পণ্যকে দ্রুত গ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই পেইড মেথড ব্যাবহার করতে হবে ।

এখন দেখে নেই কোন কোন মার্কেট প্লেস এ আপনি টাকা ব্যয় করে সহজে আপনার পণ্য বিক্রি করতে পারেন । অনলাইনে পণ্য বিক্রির অনেক মাধ্যম রয়েছে । আমি আপনাকে অল্প কয়েকটি মার্কেট প্লেস এর ধারনা দিচ্ছি । যেমন –

 

Google : অনলাইন বাজারে মার্কেটিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই গুগল সম্পর্কে ভালো ধারনা রাখতে হবে  । এর জন্য Google Adwords নামক একটি চমৎকার টুলস রয়েছে ।

Google_adwords

Google_adwords from digitaldaudul.com

Google Adwords হল গুগলের একটি বিশেষ টুলস । যার মাধ্যমে আপনি অবস্থান অনুযায়ী যে কোন দেশে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন । আর চাইলেই শুধু মাত্র আপনার দেশের ভেতর বিজ্ঞাপন দিতে পারেন ।

এবং এই বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য গুগল কে আপনি টাকা দিতে হবে ।

একই পদ্ধতিতে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার , লিঙ্কডিন এও বিজ্ঞাপন দিতে পারেন ।

এই পদ্ধতিকে বলা হয় পেইড মেথড ।

নন পেইড মেথড ( অরগানিক সিস্টেম )[ps2id id=’digital2′ target=”/]

এইবার নন পেইড বা অর্গানিক সম্পর্কে বলি –

নন পেইড ডিজিটাল মার্কেটিং করতে আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না । শুধু ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা থাকলেই হবে ।

নন পেইড ডিজিটাল মার্কেটিং একদিনের ব্যাপার নয় । এটি ততক্ষন করতে হবে যতক্ষণ না সফল হবেন ।

নন পেইড বা অর্গানিক মার্কেটিং করতে আপনাকে কি কি করতে হবে ?

  • মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে।

এটি বড় একটি ব্যাপার । কারন অনলাইনে কাজ করতে গেলে আপনাকে অনেক জটিল কিছু বিষয় পার হতে হবে । এবং প্রথম পর্যায় আপনি  সফল হবেননা । এই সফল না হওয়াটাকে সফলতার মূল অধ্যায় হিসেবে মাথায় নিতে হবে । কারন প্রথম ধাপ থেকে অনেক কিছু সেখার আছে । প্রথম ধাপে অনেক ভুল থাকে যেগুলো সফল হওয়ার উত্তম বিষয় ।

  • পড়ার ব্যাপারে আগ্রহ বাড়াতে হবে ।

কারন নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা রাখাতে গেলে আপনাকে অনলাইন এ নতুন বিষয় খুজে বের করতে হবে । তখন অনেক বিষয় ভালো করে পড়ে বুঝতে হবে ।

 

  • নোট তৈরি করা ।

কোন বিষয় নুতন মনে হলে এবং সেটা গুরুত্বপূর্ণ হলে তাৎক্ষনিক নোট করতে হবে ।

  • ফেসবুকে ডিজিটাল মার্কেটিং গ্রুপ গুলতে নিয়মিত থাকতে হবে । অনেক কিছু নিয়ে  সেখানে আলাপ আলোচনা হয় সেগুলো দেখতে হবে । নিজে কিছু জানতে চাইলে সেখানে পোস্ট করতে হবে ।
  • ইউটিউব খুঁজে দেখতে হবে নতুন কোন টিউটোরিয়াল আছে কি না ।
  • এই বিষয়ে নিজেকে ব্যস্ত  রাখতে হবে । ব্যস্ত থাকলে বুজবেন আপনি কিছু একটা করতে যাচ্ছেন । এবং এই ব্যস্ততা আপনার আগ্রহটাকে দিগুন বাড়িয়ে দিবে ।
  • অল্প অল্প করে শিখুন । একদিনে সব শিখতে চাইলে কিছুই পারবেন না । আপনি কাজকে ভাগ করে নিন । শেখার ব্যাপার টাকে একটা রুটিন করে ফেলুন ।
  • লিখার অভ্যাস করুন । ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হলে ব্লগিং করা লাগবে । সেক্ষেত্রে  লিখার অভ্যাস করা জুরুরি ।

প্রতিটি অধ্যায় ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ করতে হবে । এবং একজন গাইড লাইনের সাহায্য লাগবে, যিনি এই ব্যাপারে  অনেক দিন যাবত কাজ করে আসছেন ।

এতক্ষন নন পেইড বা অরগানিক মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করেছি । কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন ।

ডিজিটাল মার্কেটিং টুলসঃ[ps2id id=’digital3′ target=”/]

এখন এই মার্কেটিং এর কিছু টুলস নিয়ে আলোচনা করব । এই টুলস গুলো আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে সাহায্য করবে ।

  • Google keyword planner
  • Google Trends

 Google Keyword Planner

Google Keyword Planner দিয়ে কি কাজ করে ?

Keywords Planner

Keywords Planner

একটি উদাহরণ দিয়ে বুজিয়ে দিচ্ছি ।

ধরুন আপনি হেলথ প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করেন । আপনার প্রোডাক্ট টির নাম হল “ভিটা লস” এই প্রোডাক্ট টির কাজ হল শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ওজন কমিয়ে দিবে ।

এখন কোন গ্রাহক যদি গুগল এই প্রোডাক্ট টি খোঁজ করে সে কি এই প্রডাক্ট পাবে ?

উত্তর ঃ না, পাবে না । তার কারন  ক্রেতা আপনার এই প্রোডাক্ট এর নামই জানেনা তাহলে কিভাবে পাবে ?

এখন একটু চিন্তা করুন, যাদের ওজন কমানো দরকার তারা গুগল এ কি লিখে  খুঁজবে  ?

আপনাকেই  প্রশ্নটা করি ? আপনার যদি ওজন কমাতে হয় তাহলে ওই জাতিও প্রোডাক্ট কি লিখে খুজতেন ?

অবশ্যই লিখতেন Weight Loss Product , Best Weight Loss Product, Weight Loss Medicine, Weight Loss herbal Medicine, top medicine of weight Loss Ect.

এরকম আরও  অনেক   শব্দ লিখে খুঁজতেন । এর পর গুগল আপনাকে অনেক লিংক বের করে দিত । এবং আপনি যেই লিংক এ আপনার  কাঙ্ক্ষিত প্রোডাক্ট পেতেন সেখান থেকে কিনে নিতেন ।

এতক্ষন ধরে যে জন্য কথা গুলো বলতেছিলাম , সেটি হল Google Keyword Planner টুলস আপনাকে এরকম একটি ভালো মানের শব্দ খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে । যাতে করে আপনি খুব সহজেই ওই শব্দ গুলি দিয়ে গ্রাহক কে আপনার ওয়েব সাইটে নিয়ে আসতে পারেন ।

আর গ্রাহক যদি আপনার প্রোডাক্ট ব্যাবহার করে ভালো উপকৃত হন তাহলেই আপনি সফল ভাবে এগোতে পারবেন । এবং এখানেই আপনি সফল ।

Google Keyword Planner টুলস টি আপনাকে কি কি দিবে  ?

  • এই টুলস টি আপনাকে ভালো কী ওয়ার্ড পেতে সাহায্য করবে ।
  • এই টুলস আপনাকে একটি ভালো শব্দ খোঁজার জন্য ৭০০ টি শব্দ দিবে !!! যেখান থেকে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত শব্দ পেয়ে যাবেন ।
  • এবং একটি শব্দ কতবার ইউজার দেখে সেই ভেলু ও দেখাবে ।
  • এবং এর সিপিসি কত তাও দেখাবে । সিপিসি হল একটি কী ওয়ার্ড এর কষ্ট ভেলু । এই ভেলু দেখে আপনি বুজতে পারবেন এই কী ওয়ার্ড এর চাহিদা কেমন । এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।
  • এবং একটি শব্দের জন্য কতজন কম্পানি কম্পিটিশন করছে তার   কম্পিটিশন ভালু  দেখাবে ।

 

গুগল টুলস এর পাশা পাশি বাজারে অনেক ধরনের  পেইড  টুলস ও পাওয়া যায় । যেগুলো দিয়ে  আরও সহজেই নির্ভর যোগ্য শব্দ খুঁজে পাবেন ।

Google Trends

এবার কথা বলব Google Trends নিয়ে । What is Google Trends ?

এটি গুগল এর একটি চমৎকার টুলস । এই টুলস এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কি পরিমান ইউজার আপনার প্রোডাক্ট টি খুচ্ছে । যেমন আমি ডিজিটাল মার্কেটিং লিখে  খোঁজ করলাম । এবং  কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশ সিলেক্ট করলাম ।

Google Trends

google Trends

দেখুন এখানে কি পরিমান ইউজার এই কী ওয়ার্ড টি সার্চ করতেছে । এই টুলস দিয়ে  অবস্থান অনুযায়ী সার্চ করে কী ওয়ার্ড এর ভ্যালু দেখতে পারবেন ।

এ ভাবে আপনি আপনার কী ওয়ার্ড এর ভ্যালু  জানতে পারবেন ।

ভালো কিছু কী ওয়ার্ড পাওয়া মানেই আপনি ৩০% সফল । ভালো মানের কী ওয়ার্ড  কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌছার সহজ মাধ্যম ।

আমি  আবারও বলবো কী ওয়ার্ড বাঁচাই এর ক্ষেত্রে আপনি নিজেকে গ্রাহকের জায়গায় বসিয়ে দেখবেন ।

শুধু মনে রাখবেন আপনি গ্রাহক হলে কি করতেন  ?

আপনি গ্রাহক হলে এই প্রডাক্টটি কি লিখে খুঁজতেন  ?

 

এবার আরও একটু ভতরের কথা আলোচনা করি ।

ধরুন আপনি ভালো কিছু কী ওয়ার্ড  পেয়ে গেলেন ।

এর পর কি করবেন ?

এখন আপনাকে আপনার প্রোডাক্ট এর বর্ণনা লিখতে হবে । খুব সুন্দর করে সাজিয়ে লিখতে হবে । খোলা মেলা ভাবে । একটি প্রোডাক্ট এর কিছুই গোপন রাখা যাবেনা । কারন  অনলাইনে গোপনীয়তা গ্রাহক পছন্দ করেনা ।

প্রডাক্ট সম্পর্কে বর্ণনা[ps2id id=’digital4′ target=”/]

কি কি বিষয় গুলো আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে লিখবেন ?

ছবি ঃ প্রথমে  কিছু ছবি যুক্ত করুন । একটি পুর প্যাকিং অবস্থায় অন্যটি একদম খোলা অবস্থায় ।

ছবি গুলো ভিবিন্ন দিক থেকে   কেপচার করুন । তাহলে গ্রাহক দেখে মজা পাবে ।

এর পর  ছোট একটি Description লিখুন । কারন বড়  Description গ্রাহক  পড়তে পড়তে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে । এতে করে সে অন্য অন্য লিংক এ চলে যাবে । এই Description টি যেন ৫০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে থাকে ।

উপকার ঃ এর বিশেষ দিক গুলো তুলে ধরুন । কারন এইগুলোই গ্রাহককে বেশি আকৃষ্ট করবে ।

এ বিষয়ে অনলাইনেও দেখেতে পারেন । মনে রাখবেন গ্রাহক সবসময় বিশেষ কিছু  চায় ।

পরিমান ঃ  এটির সঠিক পরিমান সম্পর্কে লিখুন । কি পরিমান আপনি দিয়েছেন  এবং সেটি  কতটুকু ব্যাবহার করা যাবে সেটিও লিখুন ।

গিফট ঃ এটি  একটি  বড় ব্যাপার । গ্রাহক আকর্ষণ বাড়ানোর  জন্য  উপহারের তুলনা হয় না । আপনার প্রোডাক্ট এর সাথে ভালো কিছু উপহার দিন যাতে করে ওই উপহারটি ও গ্রাহকের উপকারে আসে ।

সব শেষে প্রোডাক্ট মূল্য লিখুন । এতে করে গ্রাহক  সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে । তার এটি ক্রয় করার ক্ষমতা আছে কি না ।

সব শেষে পাঠানোর বেপারটা অবশ্যই লিখবেন ।

আপনার প্রোডাক্ট টি কিভাবে   পাঠাবেন,  কোন কোন দেশে পাঠাবেন সেটাও উল্লেখ করুন ।

এতক্ষন আমি আপনাদের কে একটি প্রোডাক্ট এর জন্য  “কী ওয়ার্ড“  কিভাবে পাবেন এবং এর জন্য কিভাবে ভালো বর্ণনা তৈরি করবেন সেটা তুলে ধরলাম ।

এটা একটা বাসিক বর্ণনা ছিল । কিন্তু মার্কেটিং এর জন্য অনেক গুরুত্ব পূর্ণ টুলস রেয়েছে । যেগুলো একদিনে বলে শেষ করা যাবে না ।

লিখার শুরুতে একটি কথা লিখেছিলাম । সেটা হল আপনি অল্প অল্প করে শিখুন । রুটিন করে শিখুন ।

এতে করে শেখার আগ্রহ হারাবে না । এবং মাথাও ঠাণ্ডা থাকবে । এবং একটি শেখা শেষ না হতে অন্য জায়গায়  লাপ করবেন না । তাহলে আপনার সময় অপচয় হবে ।

কোন বিষয় বেশি বড়  মনে হলে আপনাকে সেটি ভাগ করে নিতে হবে ।

শিশু কালে আমরা a.b.c.d ..  শিখেছি । একটি লেটার  অনেক বার পড়েছি । ভালো করে মনে রাখার ক্ষেত্রে এটিই করা উচিত । তাই একটি বিষয় অল্প করে পড়ুন । এবং বার বার চর্চা করুন ।

** আমরা কিভাবে শুরু করতে পারি ?[ps2id id=’digital5′ target=”/]

ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করার  জন্য কিছু ধাপ রয়েছে । এই ধাপগুলো  ভালো করে  জানলেই আপনি হয়ে যাবেন ডিজিটাল এক্সপার্ট । আমি আগেও বলেছি প্রতিটি ধাপ আপনাকে ধীরে ধীরে শেষ করতে হবে । এবং বুজে শুনে  কাজের মাঠে নামতে হবে । এজন্য আপনাকে  প্ল্যান করতে হবে । উপরে লিখা গুলো পড়ে থাকেন তাহলে আপনি হয়তো অনেক কিছু বুজে গেছেন । এবং আমিও বুজতে পারলাম আপনার অনেক আগ্রহ আছে । তা না হলে এত সময় নিয়ে কেউই ব্লগ পড়েনা । ধন্যবাদ আপনাকে ।

আপনার জন্য আরও চমৎকার কিছু অপেক্ষা করছে । আমি ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করার জন্য যে ধাপগুলো প্রস্তুত করেছি সেগুলো নিচে  দিলাম ।

  • Web Analyzing
  • E.O ( Search Enginge Optimaization.
  • Content Marketing
  • Email Marketing.
  • Search Enginge Marketing
  • Video Marketing.

আমি আশা করি এই ৬ টি ধাপ ভালো করে জানার পর আপনি  ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে অভিজ্ঞ হয়ে যাবেন ।

এই ধাপ গুলো  শেষ করতে হলে কি করতে হবে সেগুলো   ইতিমধ্যে  জেনেছেন । সব কিছুই আপনার আগ্রহের উপর নির্ভর করছে । একটা বিষয় শিখতে হলে এবং এর ফল ভোগ করতে হলে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে ।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর এই ধাপগুলো নিয়ে একদিনে আলোচনা করা শম্ভব নয় ।  এটি একটি বিশাল নদি । এটাকে কেউ ছোট ভাবে বুঝে থাকলে ভুল করবেন ।

আর যদি মনে করে থাকেন যে ফেসবুক , ইউটিউব  এ মার্কেটিংই হল ডিজিটাল মার্কেটিং তাও ভুল করবেন । এগুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটা অংশ হতে পারে । এর বেশি কিছু না ।

আমি  Web Analyzing  সম্পর্কে কিছু কথা বলে শেষ করবো । শুধু  জানার জন্য যে ডিজিটাল মার্কেটিং  কতটা  গভীর ।

Web Analyzing এর মাধ্যমে আপনি একটি ওয়েব সাইটের মান নির্ণয় করতে পারবেন । একটি ওয়েব পেইজ কতটা অনলাইন বাজার  দখল করে আছে । কি পরিমান   ইউজার ওয়েবপেজ টিতে আসা যাওয়া  করে। কি পরিমান বিজ্ঞাপন তারা পায় । কেমন ইনকাম করে । কোন কী ওয়ার্ড ব্যাবহার করছে । কোন প্রোডাক্ট বেশি  বিক্রি করলো । আরও নানা বিষয় এই Web Analyzing করে জানা যায় ।

এই বিষয়গুলো আপনার জানা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ । কেন যানা গুরুত্ব পূর্ণ তার জন্য একটি উদাহরন দিচ্ছি ।

ধরুন আপনি মাছ চাষ করেন বাণিজ্যিক ভাবে ।  এবং  এটি বাজারে বিক্রি করতে চান । এখন এই মাছ গুলো আপনি বিক্রি করার আগে আপনাকে কি করতে হবে ?

হ্যাঁ অবশ্যই আপনাকে বাজার এ এই টাইপের মাছের দাম কেমন সেটি জানতে হবে । শুধু তাই না কোন সাইজ এর দাম কি পরিমান তাও জানতে হবে । এবং আপনার খামার থেকে বাজারের  দূরত্ব কেমন সে অনুযায়ী  দাম সাথে সামঞ্জস্য আছে কি না সেটাও বুঝতে  হবে ।  আরও অনেক ব্যাপার আছে সেগুলোর দিকে আর যাচ্ছি না ।

মাছ বিক্রি করার জন্য যদি বাজার Analyz করতে হয় তাহলে ওয়েবপেজ এ পণ্য বিক্রি করতে হলেও আপনাকে Web Analyzing করতে হবে । তাহলেই আপনি আপনার পণ্যকে  কিভাবে অনলাইনে ছাড়বেন সেটি বুজতে সহজ  হবে । এবং সহজেই  সফল হবেন ।

বলতে পারেন Web Analyzing ই হল  সফলতার মূল ধাপ ।

এখন বুঝে দেখুন   ডিজিটাল মার্কেটিং কতটা  গভীর ।

তাহলে এই বিষয়ে আপনাকে কি আমি হতাশ করে দিলাম !!!

এর উত্তর হল  আপনার যদি আগ্রহ অনেক বেশি থাকে তাহলে আপনি এই বর্ণনা থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নিবেন আসা করি ।

ধন্যবাদ ।

দাউদুল

ডিজিটাল মার্কেটার  এবং ওয়েবপেজ   ডিজাইনার ।