Select Page

ফাইভার কি ?

ফাইভার হল ফ্রিল্যান্সিং কাজের বড় একটি  মার্কেটপ্লেস । এই মার্কেট প্লেসে অনেক বায়ার বা ক্রেতা আসে তাদের কাজ সম্পন্ন করার জন্য যেমন কেউ আসে ডাটা এন্ট্রির জন্য, কেউ আসে গ্রাপিক্স ডিজাইন কেউবা আসে ওয়েবপেজ ডিজাইন করানোর জন্য ।  এখানে কাজের  অভাব নেই । আপনি কি ধরনের কাজ জানেন এটিই হল মুল কথা ।

ভালো ফ্রিল্যান্সিং কোর্স কোথায় পাবেন ?

মাত্র ১০ ডলারে  Udemy তে অনেক ভালো ভালো কোর্স পাওয়া যায়, চাইলে ইউডেমি থেকে কিনে নিতে পারেন । আমি একজন ডিজিটাল মার্কেটিং এর ছাত্র তাই ছাত্র হিসেবে  অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করেছে যে কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করে উপার্জন করা যায় (ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাথে ফ্রীলান্সিং এর একটা সম্পর্ক আছে)।  এবং আমার ইউটিউব চ্যানেলেও অনেকই এই প্রশ্নটা করেছে ।

তাই ফাইভার এবং ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে আমি একটা কোর্স তৈরি করেছি । এই কোর্স এ আমি কিছু কৌশল অভলম্বন করেছি । এবং যেগুলো করে আমিও উপার্জন করি । এবং এটি একটি লাইভ প্রজেক্ট কোর্স । প্রথমে আমি একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছি এবং সেই অ্যাকাউন্ট এ মাত্র একটি গিগ তৈরি করে রাঙ্ক করেছি, এবং উপার্জন করেছি । পুরো কোর্সটিতে কৌশল গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে ।

কোর্স এর লাইভ এই ভিডিও টি দেখতে পারেন –

এই কোর্সে কি কি থাকছে –

  • প্রোফাইল তৈরি করন
  • গিগ এসইও
  • গিগ ডিসক্রিপশন তৈরি
  • গিগ মার্কেটিং কৌশল
  • Social Media Marketing
  • Back link for Ranking
  • বায়ার রিকোয়েস্ট অফার সাবমিট
  • freelancer hire
  • payoneer account approved
  • রিভিউ দেয়া
  • কম্পিটিটর রিসার্চ
  • টারগেটিং গিগ
  • বিগ সিক্রেট
  • কাস্টমারদের সাথে কাজের বিষয়ে কথা বলা
  • কাস্টমারদের কাছে কাজ ডেলিভারি দেয়া
  • অনলাইন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট তৈরি করন
  • বাংলাদেশি ব্যাঙ্কের সাথে লিংক করন
  • টাকা উত্তলন
  • সিক্রেট গ্রুপ এ আমাদের সাপোর্ট নেয়া
  • লাইভ অনলাইন সেমিনার
  • লাইফ টাইম ভিডিও আপডেট

কোর্সটি পেতে যোগাযোগ করুন – ০১৮১৩-০১৫৭৫৭ ইমেইল ঃ ithousedhk@gmail.com

ফাইভার কিভাবে কাজ করে ?

অন্যান্য মার্কেটপ্লেসের তুলনায় ফাইভারের কাজ নেয়ার ধরন একটু আলাদা। এখানে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের   কাজ বা সার্ভিস ফাইভারে আপলোড করে দেয় । যাকে বলা হয় গিগ । আপনার সার্ভিস বা কাজ যেটি আপনি ফাইভারে আপলোড করবেন, সেটিকেই বলা হয় গিগ ।

ফাইভারে অ্যাকাউন্ট খোলার পর আপনার প্রফাইলে (Create Gig) নামে একটি গিয়ার আইকন দেখবেন , সেখানেই ক্লিক করে গিগ তৈরি করতে হয় । বায়ার এই গিগ দেখে অর্ডার করে । অর্ডার করার পর, ফাইভার ড্যাশবোর্ডে গিগের সমপরিমান ডলার জমা থাকে।

আপনি যখন কাজ ডেলিভারি দিবেন তখন বায়ার কাজ দেখে ভাল লাগলে অর্ডার ফাইনাল করে দিবে । ফাইনাল হওয়ার ১৪ দিন পর ফাইভার আপনার ড্যাশবোর্ডে ডলার ট্রান্সফার করবে (এর কারন হল, কাজে কোন ভুল থাকলে সেক্ষেত্রে এই ১৪ দিনের মধ্যে বায়ার রিভিউ করতে পারবে)। এইভাবেই ফাইভার কাজ করে । এবং অন্যান্য মার্কেটপ্লেসও প্রায়ই একই ভাবে কাজ করে থাকে ।

ফাইভারে কাজ করতে হলে কি ধরনের অভিজ্ঞতা লাগবে ? ফাইভারে কি ধরনের কাজ করা যায় ?

অনলাইনে কাজ করা যায় এমন সব ধরনের কাজই ফাইভারে করতে পারবেন ।  যেমন –

  • গ্রাফিক্স ডিজাইন
  • ওয়েব ডিজাইন
  • ডিজিটাল মার্কেটিং
  • আর্টিকেল রাইটিং
  • ভিডিও ক্রিয়েশন অ্যান্ড এনিমেশন
  • বিজনেস
  • মিউজিক অ্যান্ড অডিও
  • লাইফ স্টাইল
  • সফটওয়্যার ডেভলপিং
  • ডাটা এন্ট্রি

এগুলো একেকটি ক্যাটাগরি । এই ক্যাটাগরির ভেতর আরও অনেক ক্যাটাগরি রয়েছে । নিচের ছবিতে দেখুন –

fiverr work cetegory

fiverr work category

কিভাবে ফাইভারে অর্ডার পাওয়া যায় ?

ফাইভারে অর্ডার পেতে হলে আপনাকে মার্কেটিং করতে হবে । অনলাইনে মার্কেটিং করার অনেক প্লেস রয়েছে । যেমন সোশ্যাল মিডিয়া । সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করার কিছু কৌশল রয়েছে । যে কৌশল গুলো এই কোর্সে বিস্তারিত দেখিয়েছি । আপনি চাইলে নিজেও মার্কেটিং করতে পারেন, তবে এজন্য আপনাকে ব্লগ পড়তে হবে । ব্লগ পরার অভ্যাস থাকলে আপনি এই কাজে সফল হবেন । আমি এই ফাইভার কোর্সে যে কৌশল গুলো দেখিয়েছি সেগুলো অনলাইন থেকে জেনেছি ।

আমারা অনেকেই ফেইসবুক ব্যাবহার করি কিন্তু ফেইসবুক এ যেকোনো লিংক শেয়ার করতে হলে এর অনেকগুলো নিয়ম আছে । যেগুলো আমরা অনেকেই জানিনা ।  তাই ফাইভারের কোন গিগ শেয়ার করার আগে ভালো ভাবে জেনেনিন কোথায় কিভাবে শেয়ার করবেন । আর ফেসবুক ছাড়াও সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক মার্কেটপ্লেস আছে, যেমন –

socail Media Image

Social-Media_Platform

১. টুইটার

২. ইন্সটাগ্রাম

৩.ইউটিউব

৪. লিংকডইন

৫. পিনটারেস্ট আরও অনেক ।

তবে এগুলো সবার কাছে পরিচিত । এই মার্কেটপ্লেস গুলোতে অ্যাকাউন্ট ওপেন করে খুব সহজেই গিগ মার্কেটিং করতে পারেন । এতে করে ফাইভার গিগ এর ইম্প্রেশন বাড়বে এবং অর্ডার আসতে থাকবে ।

এখন একটি প্রশ্ন করতে পারেন, সেটা হল কতদিন পর্যন্ত আপনি গিগ মার্কেটিং করবেন ?

এর উত্তর হল কমপক্ষে ৩ মাস মার্কেটিং করুন । তবে অবশ্যই কৌশল জানতে হবে । যদি সঠিক পন্থায় মার্কেটিং করতে পারেন তাহলে অবশ্যই অর্ডার আসবে । গিগ মার্কেটিং করার পাশাপাশি আপনার ফাইভার গিগটি রাঙ্ক করার জন্য ব্যাকলিংক করতে হবে । এই কোর্সে সেটিও দেখিয়েছি । ব্যাকলিংক করে গিগ রাঙ্ক করতে পারলে আপনার অর্ডার খুব তাড়াতাড়ি আসবে । ব্যাকলিংক ভিবিন্ন ভাবে করা যায় যেমন ব্লগ কমেন্টের মাধ্যমে ব্যাকলিংক করতে পারেন । ওয়েব ২.০ তে ব্যাকলিংক করতে পারেন । সেক্ষেত্রে আপনার ফাইভারের গিগটি খুব তাড়াতাড়ি রাঙ্ক করবে ।

শেষে একটি কথা বলবো সেটি হল আপনি অনেক কিছু নিয়ে কাজ করবেননা । শুধু একটা জায়গায় থাকুন । যেকোনো একটা লাইনে হাটতে থাকুন । বার বার জায়গা বদল করা ভালো কাজ না । এতে করে কাজে অনিহা বাড়ে ।

মনে রাখবেন যেকোনো মার্কেট প্লেসে অনেক কম্পিটিটর আছে , সবার সাথে পাল্লা দিয়ে নিজেকে সামনে নিয়ে যেতে হবে । আপনার ইচ্ছা শক্তিকে বাড়াতে হবে, সবাই পারে আপনি কেন পারবেননা । এখনি সিদ্ধান্ত নিন এবং কোন দিকে না তাকিয়ে কাজ শুরু করে দিন । প্রয়োজনে আমাদের সাপোর্ট নিন ।

আমাদের কোর্সের গ্রুপ লিংক –

  • ফেসবুক
  • টুইটার
  • লিংকডইন

 

ধন্যবাদ

দাউদুল ইসলাম

(ডিজিটাল মার্কেটার এন্ড মানেজিং ডিরেক্টর অব আইটি হাউজ)