Select Page

ডিজিটাল মার্কেটিং কি ? কিভাবে করবেন ?

ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করতে হলে আমাদের প্রথমে কি করতে হবে ?

এই পশ্নের উত্তর দিতে হলে আমাদের কে আর কিছু ব্যাপার দেখতে হবে ।

প্রথমে ভাল করে বুজতে হবে,  ডিজিটাল মার্কেটিং কি ?

সহজ কথায় কম্পানি গুলো তাদের পণ্য অথবা কোন সার্ভিস যখন অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করে তখন তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে ।

যদি বর্ণনা পরতে ভাল না লাগে তবে ভিডিওটি দেখতে পারেন এখানে সবকিছুর সমাধান পেয়ে যাবেন ।

আপনি যে কোন ধরনের পণ্য বিক্রি করতে পারেন । কারন অনলাইনে যে কোন  পণ্যের বাজার এত বিশাল যে আপনি পরিমাপ করতে পারবেন না । এইখন হয়তো আপনি ভাববেন যে আপনার পণ্য এত বিশাল বাজারে কিভাবে স্থান পাবে ।

এটা নিয়ে চিন্তার কিছুইনেই । একটি উদাহরন দেয়া যাক । আপনি যদি এমেরিকা যেতে চান তাহলে কি করবেন । অবশ্যই আপনাকে রাস্তা খুজে বের করতে হবে । হয়তো প্লেন এ ছড়ে নয়তো জাহাজে করে । আপনার কাজ হল আপনি টিকেট কাটবেন ।

আর প্লেন অথবা জাহাজে উঠে বসে থাকবেন । আপনাকে গন্তব্যে  নেয়ার দায়িত্ব পাইলটের । ঠিক এভাবেই অনলাইনেও আপনার প্রোডাক্ট  গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দেয়ার অনেক যন্ত্র রয়েছে ।

আপনাকে এর সঠিক পথ বেছে নিতে হবে । এবং ধাপে ধাপে সামনে যেতে হবে । এ ব্যাপারে আমি  আপনাকে কিছু পথ দেখাব । যে পথ গুলো আপনাকে আপনার গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার বেবস্থা করে দিবে ।

প্রথম জেনে নেয় কয়তি পদ্ধতিতে হয়ে থাকে ?

  • ডিজিটাল মার্কেটিং ২ টি উপায়ে হয়ে থাকে ।

১। পেইড মেথড ।

২। নন পেইড মেথড । ( অরগানিক সিস্টেম )

পেইড মেথড

  • পেইড মেথড হল টাকা খরচ করে আপনার পণ্যকে অনলাইএ প্রচার করা ।
  • আর নন পেইড বা অর্গানিক মেথড হল আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না । শুধু জানতে হবে কিভাবে অর্গানিক পদ্ধতিতে মার্কেটিং করে ।

যদি আপনি আপনার পণ্যকে দ্রুত গ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই পেইড মেথড ব্যাবহার করতে হবে ।

এখন দেখে নেই কোন কোন মার্কেট প্লেস এ আপনি টাকা ব্যয় করে সহজে আপনার পণ্য বিক্রি করতে পারেন । অনলাইনে পণ্য বিক্রির অনেক মাধ্যম রয়েছে । আমি আপনাকে অল্প কয়েকটি মার্কেট প্লেস এর ধারনা দিচ্ছি । যেমন –

 

Google : অনলাইন বাজারে মার্কেটিং করতে হলে আপনাকে অবশ্যই গুগল সম্পর্কে ভালো ধারনা রাখতে হবে  । এর জন্য Google Adwords নামক একটি চমৎকার টুলস রয়েছে ।

Google_adwords

Google_adwords from digitaldaudul.com

Google Adwords হল গুগলের একটি বিশেষ টুলস । যার মাধ্যমে আপনি অবস্থান অনুযায়ী যে কোন দেশে বিজ্ঞাপন দিতে পারেন । আর চাইলেই শুধু মাত্র আপনার দেশের ভেতর বিজ্ঞাপন দিতে পারেন ।

এবং এই বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য গুগল কে আপনি টাকা দিতে হবে ।

একই পদ্ধতিতে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার , লিঙ্কডিন এও বিজ্ঞাপন দিতে পারেন ।

এই পদ্ধতিকে বলা হয় পেইড মেথড ।

নন পেইড মেথড ( অরগানিক সিস্টেম )

এইবার নন পেইড বা অর্গানিক সম্পর্কে বলি –

নন পেইড ডিজিটাল মার্কেটিং করতে আপনাকে কোন টাকা খরচ করতে হবে না । শুধু ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা থাকলেই হবে ।

নন পেইড ডিজিটাল মার্কেটিং একদিনের ব্যাপার নয় । এটি ততক্ষন করতে হবে যতক্ষণ না সফল হবেন ।

নন পেইড বা অর্গানিক মার্কেটিং করতে আপনাকে কি কি করতে হবে ?

  • মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে।

এটি বড় একটি ব্যাপার । কারন অনলাইনে কাজ করতে গেলে আপনাকে অনেক জটিল কিছু বিষয় পার হতে হবে । এবং প্রথম পর্যায় আপনি  সফল হবেননা । এই সফল না হওয়াটাকে সফলতার মূল অধ্যায় হিসেবে মাথায় নিতে হবে । কারন প্রথম ধাপ থেকে অনেক কিছু সেখার আছে । প্রথম ধাপে অনেক ভুল থাকে যেগুলো সফল হওয়ার উত্তম বিষয় ।

  • পড়ার ব্যাপারে আগ্রহ বাড়াতে হবে ।

কারন নতুন নতুন বিষয় সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা রাখাতে গেলে আপনাকে অনলাইন এ নতুন বিষয় খুজে বের করতে হবে । তখন অনেক বিষয় ভালো করে পড়ে বুঝতে হবে ।

 

  • নোট তৈরি করা ।

কোন বিষয় নুতন মনে হলে এবং সেটা গুরুত্বপূর্ণ হলে তাৎক্ষনিক নোট করতে হবে ।

  • ফেসবুকে ডিজিটাল মার্কেটিং গ্রুপ গুলতে নিয়মিত থাকতে হবে । অনেক কিছু নিয়ে  সেখানে আলাপ আলোচনা হয় সেগুলো দেখতে হবে । নিজে কিছু জানতে চাইলে সেখানে পোস্ট করতে হবে ।
  • ইউটিউব খুঁজে দেখতে হবে নতুন কোন টিউটোরিয়াল আছে কি না ।
  • এই বিষয়ে নিজেকে ব্যস্ত  রাখতে হবে । ব্যস্ত থাকলে বুজবেন আপনি কিছু একটা করতে যাচ্ছেন । এবং এই ব্যস্ততা আপনার আগ্রহটাকে দিগুন বাড়িয়ে দিবে ।
  • অল্প অল্প করে শিখুন । একদিনে সব শিখতে চাইলে কিছুই পারবেন না । আপনি কাজকে ভাগ করে নিন । শেখার ব্যাপার টাকে একটা রুটিন করে ফেলুন ।
  • লিখার অভ্যাস করুন । ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হলে ব্লগিং করা লাগবে । সেক্ষেত্রে  লিখার অভ্যাস করা জুরুরি ।

প্রতিটি অধ্যায় ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ করতে হবে । এবং একজন গাইড লাইনের সাহায্য লাগবে, যিনি এই ব্যাপারে  অনেক দিন যাবত কাজ করে আসছেন ।

এতক্ষন নন পেইড বা অরগানিক মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করেছি । কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন ।

ডিজিটাল মার্কেটিং টুলসঃ

এখন এই মার্কেটিং এর কিছু টুলস নিয়ে আলোচনা করব । এই টুলস গুলো আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে সাহায্য করবে ।

  • Google keyword planner
  • Google Trends

 Google Keyword Planner

Google Keyword Planner দিয়ে কি কাজ করে ?

Keywords Planner

Keywords Planner

একটি উদাহরণ দিয়ে বুজিয়ে দিচ্ছি ।

ধরুন আপনি হেলথ প্রোডাক্ট নিয়ে কাজ করেন । আপনার প্রোডাক্ট টির নাম হল “ভিটা লস” এই প্রোডাক্ট টির কাজ হল শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমিয়ে ওজন কমিয়ে দিবে ।

এখন কোন গ্রাহক যদি গুগল এই প্রোডাক্ট টি খোঁজ করে সে কি এই প্রডাক্ট পাবে ?

উত্তর ঃ না, পাবে না । তার কারন  ক্রেতা আপনার এই প্রোডাক্ট এর নামই জানেনা তাহলে কিভাবে পাবে ?

এখন একটু চিন্তা করুন, যাদের ওজন কমানো দরকার তারা গুগল এ কি লিখে  খুঁজবে  ?

আপনাকেই  প্রশ্নটা করি ? আপনার যদি ওজন কমাতে হয় তাহলে ওই জাতিও প্রোডাক্ট কি লিখে খুজতেন ?

অবশ্যই লিখতেন Weight Loss Product , Best Weight Loss Product, Weight Loss Medicine, Weight Loss herbal Medicine, top medicine of weight Loss Ect.

এরকম আরও  অনেক   শব্দ লিখে খুঁজতেন । এর পর গুগল আপনাকে অনেক লিংক বের করে দিত । এবং আপনি যেই লিংক এ আপনার  কাঙ্ক্ষিত প্রোডাক্ট পেতেন সেখান থেকে কিনে নিতেন ।

এতক্ষন ধরে যে জন্য কথা গুলো বলতেছিলাম , সেটি হল Google Keyword Planner টুলস আপনাকে এরকম একটি ভালো মানের শব্দ খুঁজে বের করতে সাহায্য করবে । যাতে করে আপনি খুব সহজেই ওই শব্দ গুলি দিয়ে গ্রাহক কে আপনার ওয়েব সাইটে নিয়ে আসতে পারেন ।

আর গ্রাহক যদি আপনার প্রোডাক্ট ব্যাবহার করে ভালো উপকৃত হন তাহলেই আপনি সফল ভাবে এগোতে পারবেন । এবং এখানেই আপনি সফল ।

Google Keyword Planner টুলস টি আপনাকে কি কি দিবে  ?

  • এই টুলস টি আপনাকে ভালো কী ওয়ার্ড পেতে সাহায্য করবে ।
  • এই টুলস আপনাকে একটি ভালো শব্দ খোঁজার জন্য ৭০০ টি শব্দ দিবে !!! যেখান থেকে আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত শব্দ পেয়ে যাবেন ।
  • এবং একটি শব্দ কতবার ইউজার দেখে সেই ভেলু ও দেখাবে ।
  • এবং এর সিপিসি কত তাও দেখাবে । সিপিসি হল একটি কী ওয়ার্ড এর কষ্ট ভেলু । এই ভেলু দেখে আপনি বুজতে পারবেন এই কী ওয়ার্ড এর চাহিদা কেমন । এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ।
  • এবং একটি শব্দের জন্য কতজন কম্পানি কম্পিটিশন করছে তার   কম্পিটিশন ভালু  দেখাবে ।

 

গুগল টুলস এর পাশা পাশি বাজারে অনেক ধরনের  পেইড  টুলস ও পাওয়া যায় । যেগুলো দিয়ে  আরও সহজেই নির্ভর যোগ্য শব্দ খুঁজে পাবেন ।

Google Trends

এবার কথা বলব Google Trends নিয়ে । What is Google Trends ?

এটি গুগল এর একটি চমৎকার টুলস । এই টুলস এর মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কি পরিমান ইউজার আপনার প্রোডাক্ট টি খুচ্ছে । যেমন আমি ডিজিটাল মার্কেটিং লিখে  খোঁজ করলাম । এবং  কান্ট্রি হিসেবে বাংলাদেশ সিলেক্ট করলাম ।

Google Trends

google Trends

দেখুন এখানে কি পরিমান ইউজার এই কী ওয়ার্ড টি সার্চ করতেছে । এই টুলস দিয়ে  অবস্থান অনুযায়ী সার্চ করে কী ওয়ার্ড এর ভ্যালু দেখতে পারবেন ।

এ ভাবে আপনি আপনার কী ওয়ার্ড এর ভ্যালু  জানতে পারবেন ।

ভালো কিছু কী ওয়ার্ড পাওয়া মানেই আপনি ৩০% সফল । ভালো মানের কী ওয়ার্ড  কাঙ্ক্ষিত জায়গায় পৌছার সহজ মাধ্যম ।

আমি  আবারও বলবো কী ওয়ার্ড বাঁচাই এর ক্ষেত্রে আপনি নিজেকে গ্রাহকের জায়গায় বসিয়ে দেখবেন ।

শুধু মনে রাখবেন আপনি গ্রাহক হলে কি করতেন  ?

আপনি গ্রাহক হলে এই প্রডাক্টটি কি লিখে খুঁজতেন  ?

 

এবার আরও একটু ভতরের কথা আলোচনা করি ।

ধরুন আপনি ভালো কিছু কী ওয়ার্ড  পেয়ে গেলেন ।

এর পর কি করবেন ?

এখন আপনাকে আপনার প্রোডাক্ট এর বর্ণনা লিখতে হবে । খুব সুন্দর করে সাজিয়ে লিখতে হবে । খোলা মেলা ভাবে । একটি প্রোডাক্ট এর কিছুই গোপন রাখা যাবেনা । কারন  অনলাইনে গোপনীয়তা গ্রাহক পছন্দ করেনা ।

প্রডাক্ট সম্পর্কে বর্ণনা

কি কি বিষয় গুলো আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে লিখবেন ?

ছবি ঃ প্রথমে  কিছু ছবি যুক্ত করুন । একটি পুর প্যাকিং অবস্থায় অন্যটি একদম খোলা অবস্থায় ।

ছবি গুলো ভিবিন্ন দিক থেকে   কেপচার করুন । তাহলে গ্রাহক দেখে মজা পাবে ।

এর পর  ছোট একটি Description লিখুন । কারন বড়  Description গ্রাহক  পড়তে পড়তে আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে । এতে করে সে অন্য অন্য লিংক এ চলে যাবে । এই Description টি যেন ৫০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে থাকে ।

উপকার ঃ এর বিশেষ দিক গুলো তুলে ধরুন । কারন এইগুলোই গ্রাহককে বেশি আকৃষ্ট করবে ।

এ বিষয়ে অনলাইনেও দেখেতে পারেন । মনে রাখবেন গ্রাহক সবসময় বিশেষ কিছু  চায় ।

পরিমান ঃ  এটির সঠিক পরিমান সম্পর্কে লিখুন । কি পরিমান আপনি দিয়েছেন  এবং সেটি  কতটুকু ব্যাবহার করা যাবে সেটিও লিখুন ।

গিফট ঃ এটি  একটি  বড় ব্যাপার । গ্রাহক আকর্ষণ বাড়ানোর  জন্য  উপহারের তুলনা হয় না । আপনার প্রোডাক্ট এর সাথে ভালো কিছু উপহার দিন যাতে করে ওই উপহারটি ও গ্রাহকের উপকারে আসে ।

সব শেষে প্রোডাক্ট মূল্য লিখুন । এতে করে গ্রাহক  সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে । তার এটি ক্রয় করার ক্ষমতা আছে কি না ।

সব শেষে পাঠানোর বেপারটা অবশ্যই লিখবেন ।

আপনার প্রোডাক্ট টি কিভাবে   পাঠাবেন,  কোন কোন দেশে পাঠাবেন সেটাও উল্লেখ করুন ।

এতক্ষন আমি আপনাদের কে একটি প্রোডাক্ট এর জন্য  “কী ওয়ার্ড“  কিভাবে পাবেন এবং এর জন্য কিভাবে ভালো বর্ণনা তৈরি করবেন সেটা তুলে ধরলাম ।

এটা একটা বাসিক বর্ণনা ছিল । কিন্তু মার্কেটিং এর জন্য অনেক গুরুত্ব পূর্ণ টুলস রেয়েছে । যেগুলো একদিনে বলে শেষ করা যাবে না ।

লিখার শুরুতে একটি কথা লিখেছিলাম । সেটা হল আপনি অল্প অল্প করে শিখুন । রুটিন করে শিখুন ।

এতে করে শেখার আগ্রহ হারাবে না । এবং মাথাও ঠাণ্ডা থাকবে । এবং একটি শেখা শেষ না হতে অন্য জায়গায়  লাপ করবেন না । তাহলে আপনার সময় অপচয় হবে ।

কোন বিষয় বেশি বড়  মনে হলে আপনাকে সেটি ভাগ করে নিতে হবে ।

শিশু কালে আমরা a.b.c.d ..  শিখেছি । একটি লেটার  অনেক বার পড়েছি । ভালো করে মনে রাখার ক্ষেত্রে এটিই করা উচিত । তাই একটি বিষয় অল্প করে পড়ুন । এবং বার বার চর্চা করুন ।

** আমরা কিভাবে শুরু করতে পারি ?

ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করার  জন্য কিছু ধাপ রয়েছে । এই ধাপগুলো  ভালো করে  জানলেই আপনি হয়ে যাবেন ডিজিটাল এক্সপার্ট । আমি আগেও বলেছি প্রতিটি ধাপ আপনাকে ধীরে ধীরে শেষ করতে হবে । এবং বুজে শুনে  কাজের মাঠে নামতে হবে । এজন্য আপনাকে  প্ল্যান করতে হবে । উপরে লিখা গুলো পড়ে থাকেন তাহলে আপনি হয়তো অনেক কিছু বুজে গেছেন । এবং আমিও বুজতে পারলাম আপনার অনেক আগ্রহ আছে । তা না হলে এত সময় নিয়ে কেউই ব্লগ পড়েনা । ধন্যবাদ আপনাকে ।

আপনার জন্য আরও চমৎকার কিছু অপেক্ষা করছে । আমি ডিজিটাল মার্কেটিং শুরু করার জন্য যে ধাপগুলো প্রস্তুত করেছি সেগুলো নিচে  দিলাম ।

  • Web Analyzing
  • E.O ( Search Enginge Optimaization.
  • Content Marketing
  • Email Marketing.
  • Search Enginge Marketing
  • Video Marketing.

আমি আশা করি এই ৬ টি ধাপ ভালো করে জানার পর আপনি  ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে অভিজ্ঞ হয়ে যাবেন ।

এই ধাপ গুলো  শেষ করতে হলে কি করতে হবে সেগুলো   ইতিমধ্যে  জেনেছেন । সব কিছুই আপনার আগ্রহের উপর নির্ভর করছে । একটা বিষয় শিখতে হলে এবং এর ফল ভোগ করতে হলে আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে ।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর এই ধাপগুলো নিয়ে একদিনে আলোচনা করা শম্ভব নয় ।  এটি একটি বিশাল নদি । এটাকে কেউ ছোট ভাবে বুঝে থাকলে ভুল করবেন ।

আর যদি মনে করে থাকেন যে ফেসবুক , ইউটিউব  এ মার্কেটিংই হল ডিজিটাল মার্কেটিং তাও ভুল করবেন । এগুলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটা অংশ হতে পারে । এর বেশি কিছু না ।

আমি  Web Analyzing  সম্পর্কে কিছু কথা বলে শেষ করবো । শুধু  জানার জন্য যে ডিজিটাল মার্কেটিং  কতটা  গভীর ।

Web Analyzing এর মাধ্যমে আপনি একটি ওয়েব সাইটের মান নির্ণয় করতে পারবেন । একটি ওয়েব পেইজ কতটা অনলাইন বাজার  দখল করে আছে । কি পরিমান   ইউজার ওয়েবপেজ টিতে আসা যাওয়া  করে। কি পরিমান বিজ্ঞাপন তারা পায় । কেমন ইনকাম করে । কোন কী ওয়ার্ড ব্যাবহার করছে । কোন প্রোডাক্ট বেশি  বিক্রি করলো । আরও নানা বিষয় এই Web Analyzing করে জানা যায় ।

এই বিষয়গুলো আপনার জানা খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ । কেন যানা গুরুত্ব পূর্ণ তার জন্য একটি উদাহরন দিচ্ছি ।

ধরুন আপনি মাছ চাষ করেন বাণিজ্যিক ভাবে ।  এবং  এটি বাজারে বিক্রি করতে চান । এখন এই মাছ গুলো আপনি বিক্রি করার আগে আপনাকে কি করতে হবে ?

হ্যাঁ অবশ্যই আপনাকে বাজার এ এই টাইপের মাছের দাম কেমন সেটি জানতে হবে । শুধু তাই না কোন সাইজ এর দাম কি পরিমান তাও জানতে হবে । এবং আপনার খামার থেকে বাজারের  দূরত্ব কেমন সে অনুযায়ী  দাম সাথে সামঞ্জস্য আছে কি না সেটাও বুঝতে  হবে ।  আরও অনেক ব্যাপার আছে সেগুলোর দিকে আর যাচ্ছি না ।

মাছ বিক্রি করার জন্য যদি বাজার Analyz করতে হয় তাহলে ওয়েবপেজ এ পণ্য বিক্রি করতে হলেও আপনাকে Web Analyzing করতে হবে । তাহলেই আপনি আপনার পণ্যকে  কিভাবে অনলাইনে ছাড়বেন সেটি বুজতে সহজ  হবে । এবং সহজেই  সফল হবেন ।

বলতে পারেন Web Analyzing ই হল  সফলতার মূল ধাপ ।

এখন বুঝে দেখুন   ডিজিটাল মার্কেটিং কতটা  গভীর ।

তাহলে এই বিষয়ে আপনাকে কি আমি হতাশ করে দিলাম !!!

এর উত্তর হল  আপনার যদি আগ্রহ অনেক বেশি থাকে তাহলে আপনি এই বর্ণনা থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নিবেন আসা করি ।

ধন্যবাদ ।

দাউদুল

ডিজিটাল মার্কেটার  এবং ওয়েবপেজ   ডিজাইনার ।